শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২০

English Version

চলে গেলেন নোবেলজয়ী টনি মরিসন

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৬৪দিন
:
১১ঘণ্টা
:
৩৯মিনিট
:
৫৬সেকেন্ড
No icon তারকা স্বাস্থ্যকথা

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০৭ আগস্ট’ ১৯: সাহিত্যে নোবেলজয়ী প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান নারী লেখক টনি মরিসন আর নেই। সোমবার নিউ ইয়র্কের মন্টেফিওর মেডিক্যাল সেন্টারে মারা যান ‘বিলাভড’, ‘সং অব সলোমান’ উপন্যাস খ্যাত এ লেখক। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তাঁর পরিবার মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ খবর নিশ্চিত করে।

ছয় দশকের লেখালেখি জীবনে টনি অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে নোবেল পুরস্কারও। ১৯৯৩ সালে তাঁর অর্জনের খাতায় এ পুরস্কার যোগ হয়। এর আগে ১৯৮৮ সালে তিনি ‘বিলাভড’ উপন্যাসের জন্য পুলিত্জার পুরস্কার ও আমেরিকান বুক অ্যাওয়ার্ড পান। ১৯৯৬ সালে ন্যাশনাল বুক ফাউন্ডেশন তাঁকে মেডেল অব ডিস্টিংগুইশড কন্ট্রিবিউশন টু আমেরিকান লেটারস পদকে ভূষিত করে। এ ছাড়া ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাঁকে ‘ফ্রিডম’ শীর্ষক প্রেসিডেনশিয়াল পদক দেন।

এ নারী মোট ১১টি উপন্যাস রচনা করেছেন, যেগুলোর বেশির ভাগই কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানের জীবনযাপনের স্পর্শকাতর দিকগুলোকে তুলে ধরেছে। এ ছাড়া তিনি রচনা করেছেন বহু নিবন্ধ, পদ্য আর বক্তৃতা। তাঁর জীবদ্দশার অন্যতম বিতর্কিত ইস্যু বর্ণবাদ ও মানবাধিকার নিয়ে কথা বলতে তিনি কখনো পিছপা হননি। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের দেওয়া বিবৃতিতে তাঁকে একজন ‘পূর্ণাঙ্গ লেখক’ অভিহিত করা হয়।

১৯৩১ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে টনির জন্ম। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দ্য ব্লুয়েস্ট আই’ প্রকাশিত হয় ১৯৭০ সালে। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘সুলা’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে। তাঁর রচিত প্রথম দিকের উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো ‘দ্য সং অব সলোমন’, যেটি ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং ন্যাশনাল বুক ক্রিটিকস সার্কেল অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে।

সূত্র : এএফপি।

সর্বাধিক পঠিত খবর






দেশে চিকিৎসা গবেষণা বাড়াতে হবে

ডিমেনসিয়া রোগীর আহার

জ্বর ঠোসা সারানোর সহজ উপায়