বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন ২০১৭

English Version

স্বাস্থ্য সাংবাদিকদের বিশেষ ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে গড়ে তুলতে হবে

No icon তারকা স্বাস্থ্যকথা

ডা. অপূর্ব পন্ডিত, চিকিৎসক

নিজস্ব প্রতিবেদক:  একজন স্বাপ্নিক। স্বপ্নবাজ। স্বপ্নের কারিগর। আর এই সময়ে, স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। অযূত স্বপ্নকে বাস্তবতার চাঁদরে মুড়িয়ে, সফলতার পাখা মেলছেন একের পর এক বর্ণিল আকাশে। মেঘ-বৃষ্টি-ঝড়, কোন দুর্যোগেই থামেননি তিনি। অবিরাম পথ চলা তাঁর।

অপূর্ব পন্ডিত। একজন জনদরদী চিকিৎসক। একজন সাংবাদিক। একজন সুন্দর মানুষ। একজন মহৎ প্রাণ।

ছাত্রজীবন থেকেই মিডিয়ার প্রতি তাঁর অফুরান ভালবাসা। যে কারণে প্রায় ২ যুগ ধরে পথ চলছেন অনলাইন দৈনিক আমারহেলথ ডটকম নিয়ে।

একইসঙ্গে তিনি জড়িয়ে আছেন বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে। সম্প্রতি গড়ে ওঠা চিকিৎসকদের সংগঠন ‘প্রগ্রেসিভ ডক্টরস ইউনিয়ন’( পিডিইউ)-এর সাধারণ সম্পাদক তিনি।

জনস্বাস্থ্য, আমারহেলথ ডটকম এবং সাংবাদিকতার বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা কথা বললেন। অনেকক্ষণ। সেই কথোপকথনের অর্থপূর্ণ শব্দসমষ্টি নিয়েই এই লেখা। আজ প্রকাশিত হলো সাক্ষাতকারের শেষ পর্ব।

সাক্ষাতকার: তাপস রায়হান

আমারহেলথ ডটকম: আমাদের দেশে হেলথ জার্নালিস্টের সংখ্যাতো বেশি না। বলা যায়, আপনি তাদের অন্যতম। ঠিক কোন উদ্দেশে এই মাধ্যমে বিচরণ শুরু করলেন?

ডা. অপূর্ব পন্ডিত: বিষয়টা বিস্তারিতভাবে বলতে হবে। অনেক ডাক্তারের লেখা বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হয়। আমার লেখাও অনেক পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। ডাক্তারের লেখা ছাপা বেশি হলে, তাদের ধারণা, চেম্বারে বেশি রোগি হবে। যে কারণে তারা লেখালেখি করেন। বাংলাদেশে কিন্তু কোন ধরনের হেলথ মিডিয়া নেই। না দৈনিক না টেলিভিশন। এটা একবাক্যে বলা যায়। সব টিভির কিন্তু স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠান আছে। কিন্তু কেউ-ই স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করেন না। যা হয়, সেটা হাস্যকর। আপনি লক্ষ্য করবেন- স্বাস্থ্যের টোটাল খবর নিয়ে কোন মাধ্যমই ডেভেলপ করে নি। সেখানে আমারহেলথ ডটকম কিন্তু পুরোপুরি স্বাস্থ্য নিয়েই কাজ করছে।

আমি সাংবাদিক এবং ডাক্তার- এই দুই পরিচয়েই স্বাচ্ছন্দ্য, সম্মান বোধ করি। দুটোই এনজয় করি। সাংবাদিক বন্ধুরা আমাদের কাছ থেকে ডাক্তারি সেবাটা নিতে পারেন। আবার সাধারণ মানুষ দুই ধরণের সেবাই নিতে পারেন।

আমারহেলথ ডটকম: স্বাস্থ্য বিষয়ে সংবাদ করার জন্য যে সমস্ত সাংবাদিক আছেন, আপনার কি মনে হয়, সেখানে কোন সমস্যা আছে?

ডা. অপূর্ব পন্ডিত: সমস্যাতো আছেই। সেটা অনেক গভীরে। অনেক কিছুই সে নিজের করে নিতে পারে না। ভিতর থেকে সে বোঝেও না। ডাক্তার না হওয়ার কারণে, নিউজগুলো অধিকাংশ  সময়ে হয়ে যায় ক্রাইম রিপের্ট। সেটা হিলথ বিটের ক্রাইম রিপোর্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি তো আসলে ক্রাইম রিপোর্টার নন। অথচ হয়ে যাচ্ছেন, হেলথ বিটের ক্রাইম রিপোর্টার। এখানে একটা ভ্যাকুয়াম আছে।   আমি মনে করি, স্বাস্থ্য সাংবাদিকদের বিশেষ ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে গড়ে তুলতে হবে।

আমারহেলথ ডটকম: আপনি কি বলতে চাইছেন, এক্ষেত্রে একজন সাংবাদিক ডাক্তার হলে ভাল হয়?

ডা. অপূর্ব পন্ডিত: হলে ভাল। না হলেও সমস্যা নেই। সেক্ষেত্রে তাকে অবশ্যই একটা ট্রেনিংয়ের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তাহলে সে বিষয়গুলো বুঝতে পারবে।

অনেক ক্ষেত্রে বিষয়টা সাপে-নেউলের মতো হয়ে যাচ্ছে। এটার একটা সমাধান দরকার। সাংবাদিকরা ডাক্তারদের সহ্য করতে পারছে না, ডাক্তাররা সাংবাদিকদের।

আমারহেলথ ডটকম: আপনি কোন পক্ষে যাবেন?

ডা. অপূর্ব পন্ডিত: আমি সত্যের পক্ষে থাকবো। বিষয়টা কেন, কীভাবে হলো- সেটা আমি ভালভাবে বিশ্লেষণ করতে পারবো। এখানে আমি কিন্তু ডাক্তারদের কথা বলছি।

আমারহেলথ ডটকম: আপনি আমারচেম্বার-এর মাধ্যমে আসলে কী ধরণের বার্তা দিতে চাইছেন?

ডা. অপূর্ব পন্ডিত: আমি দেশের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে চাইছি। পুরোপুরিভাবে। এটা বিদেশ থেকেও সম্ভব। আমিতো একা এটা করতে পারবো না। হ্যাঁ, সেরকম প্রতিষ্ঠান হলে এটা সম্ভব। আমার চেম্বার-এর মাধ্যমে সেটা সম্ভব। বিদেশে আমাদের যারা আছেন, তারাও আমারচেম্বার-এর সেবা পাবেন। খুব দ্রুত আমরা সেপথেই অগ্রসর হবো। আমি চাই, সুস্বাস্থ্য নিয়ে সব মানুষ বেঁচে থাকুক, সুন্দর থাকুক।

সর্বাধিক পঠিত খবর

রক্তনালীর ব্লক রোধে ৭ খাবার

পানপাতার আশ্চর্যজনক উপকারিতা!



মারা গেল ভিনগ্রহী সেই শিশু