মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭

English Version

মানুষকে ভালবাসার কোন বিকল্প নেই-

No icon তারকা স্বাস্থ্যকথা

ডা. মইনুল আহসান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক

গ্রীনলাইফ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভালবাসলে, ভালবাসা পাওয়া যায়। সেই ভালবাসার প্রকাশ যদি হয়, মানুষের- তা যেন অনেকটা, অতিন্দ্রিয় অনুভবের। যা ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না- এমনকি দেখাও যায় না। বরং তা উপলদ্ধিতে আসে প্রবল।

অসম্ভব বিনয়ী, ভদ্র। বিরল মহানুভব। প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ শুদ্ধ, পরিশীলিত। পরিমিত স্বরজ্ঞান। অবরোহে উচ্চারিত ধ্বণি-সমষ্টি। যেন কবিতার মতোন।

সেই একাত্তরে। ঘুর্ণায়মান, উত্তাল সময়। তখন তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র। ফিফথ ইয়ারের। ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের। তারপর…।

স্বাধীন বাংলাদেশে শুরু হলো জীবনের পথচলা। অস্ত্র ফেলে, জীবনকে ভালবেসে, একজন চিকিৎসক নামলেন স্বপ্নযুদ্ধে। অনেকটা যেন ছিনিয়েই আনলেন সাফল্যের মুক্তোমালা।

ডা. মো: মইনুল আহসান। ব্যবস্থাপনা পরিচালক। গ্রীনলাইফ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের। শুরু করেছিলেন আল-রাজী হাসপাতাল দিয়ে। এরপর…।

২০০৯ সাল। অক্টোবর। শুরু হলো গ্রীনলাইফ মেডিক্যাল হাসপাতালের পথচলা। সেই থেকে চলছে আজও।

বাস্তবিক অর্থেই মানবদরদী হাসপাতাল। দিন-রাত চলছে চিকিৎসা সেবা। ৫০ জন দেশবরেণ্য চিকিৎসক-পরিচালক আর কলেজ-হাসপাতালের প্রায় ১০০০ স্টাফ নিয়ে বিশাল স্বাস্থ্যযজ্ঞ।

৪ জানুয়ারি, দুপুরে, ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সুবিশাল শৈল্পিক রুমে একান্তে কথা বললেন ডা. মো: মইনুল আহসান। । দীর্ঘ আলাপচারিতার আলোকিত শব্দসমষ্টি নিয়েই আজকের লেখা।

সাক্ষাতকার: তাপস রায়হান, ছবি: আওয়াল হোসেন|

আমারহেলথ ডটকম: আপনাদের হাসপাতালের বিশেষত্ব কী?

ডা. মো: মইনুল আহসান: রোগীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী, স্বাস্থ্যসেবার মান, শৃঙ্খলা এবং মানবিকতা।

আমারহেলথ ডটকম: একটু ব্যাখ্যা করবেন?

ডা. মো: মইনুল আহসান: দেখুন, একজন রোগিকে আমরা সর্ব্বোচ্চ মানবিকতা নিয়ে চিকিৎসা সেবা দেয়ার চেষ্টা করি। সেখানে কখনই অর্থ মূখ্য ভূমিকায় থাকে না। যখন আমাদের সেই সমস্যার কথা জানানো হয়, তখন সেইভাবেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শুধু তাই-ই নয়, কোন রোগি যদি ওষুধ কিনতেও অপারগ হয়, আমরা সেক্ষেত্রেও যথাসাধ্য চেষ্টা করি, সমস্যার সমাধান করতে।

আমারহেলথ ডটকম: এই হাসপাতালে বিশেষ কোন রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা বা কোন স্পেশালিস্ট আছেন?

ডা. মো: মইনুল আহসান: বাত রোগের বেস্ট চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এই হাসপাতালে। এশিয়া প্যাসিফিক লীগ অব রিউম্যাটোলজীর প্রেসিডেন্ট আছেন আমাদের হাসপাতালে। সৈয়দ আতিকুল হক, যিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান। সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, ভারত থেকে রেফার করা রোগি আসেন তাঁর কাছে।

আমারহেলথ ডটকম: এর বাইরে?

ডা. মো: মইনুল আহসান: আমাদের হাসপাতালে অর্থোপেডিকে রয়েছে বিশাল অর্জন। আপনি অবশ্যই স্বীকার করবেন, যদি প্রয়োজন হয়, টের পাবেন-নিউরোসার্জারিতে আমাদের হাসপাতালের চিকিৎসাই দেশসেরা।

নাক-কান-গলায় রয়েছেন, দেশবরেণ্য চিকিৎসক- শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।

আমাদের শুধু কার্ডিয়াক নেই। শুরু হবে আগামী ৬ মাসের মধ্যে। সব মিলিয়ে আমাদের হাসপাতালকে আপনি বলতেই পারেন- জীবনবান্ধব আধুনিক চিকিৎসা সেবার পীঠস্থান।

আমারহেলথ ডটকম:  আর কিছু বলবেন?

ডা. মো: মইনুল আহসান: আমরা এই হাসপাতালের মাধ্যমে ব্যবসা করছি না। মানব সেবাই আমাদের কাছে মুখ্য। আমরা চাই- দেশের মানুষ ভাল থাক, সুস্থ থাক। শরীরের কোন দুর্ভোগ যেন তাঁকে কষ্ট না দেয়। কারণ, জীবন সুন্দরের। সেখানে কষ্ট-যন্ত্রণা হতেই পারে। তবে তা যেন স্থায়ী না হয়। চিকিৎসার মাধ্যমে যে কষ্টের সমাধান সম্ভব- আমি মনে করি, আমরা আন্তরিকভাবেই তা করছি। এই কাজ করে যাবো, বেঁচে থাকা পর্যন্ত। আমি জানি- মানুষকে ভালবাসার কোন বিকল্প নেই।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সর্বাধিক পঠিত খবর



দেশের স্বাস্থ্যসেবায় নীরব বিপ্লব হয়েছে-

লিভারে চর্বি কমানোর উপায়

আপনি কিডনি রোগে আক্রান্ত নয় তো?


হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে জেনে নিন

কিভাবে বুঝবেন কিডনিতে পাথর হয়েছে

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ এড়িয়ে যাচ্ছেন না তো?