শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২০

English Version

জন্মদিনে আফসানা মিমি

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৬৪দিন
:
১১ঘণ্টা
:
৩৯মিনিট
:
৫৬সেকেন্ড
No icon ফিল্ম

আমার বিনোদন ডেস্ক: বরেণ্য অভিনেত্রী ও নাট্যনির্দেশক আফসানা মিমি চলচ্চিত্রের গল্প লিখছেন এবার। ২০০৬ সাল থেকে তিনি একটি চলচ্চিত্রের গল্প’র ভাবনা মাথায় রেখেছিলেন। সেই গল্পের ভাবনা থেকেই এবার তিনি নিজেই চলচ্চিত্রের গল্প লিখছেন। আফসানা মিমি আশা করছেন সময় নিয়ে তিনি গল্প লেখার কাজ হয়তো শিগগিরই শেষ করতে পারবেন। তবে কবে শেষ হবে তা নিশ্চিত নয় বলে সেই গল্প নিয়ে কবে নাগাদ চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন তারও কোন নিশ্চয়তা দেননি তিনি।

যে কারণে নিজের লেখা চলচ্চিত্রের গল্প এবং এর নামকরণ সম্পর্কেও তেমন কিছু অভিহিত করেননি। তবে আসছে নতুন বছরে যে চলচ্চিত্রটির নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারেন সে সম্ভাবনাকেও এড়িয়ে যাচ্ছেন না মিমি। কারণ ছোটপর্দার অভিনয়ে বা নাটক নির্মাণে তার অতৃপ্তি নেই। কিন্তু থিয়েটারের অভিনয়ে কিংবা চলচ্চিত্র নির্মাণে তার অতৃপ্তি রয়েগেছে। তাই চলচ্চিত্র নির্মাণ করার আগ্রহটা রয়েই গেছে মনের গহীন কোণে। এদিকে আজ আফসানা মিমির জন্মদিন। আজ তিনি ৪৮ বছরে পা রাখছেন বলে জানান।

জন্মদিন প্রসঙ্গে আফসানা মিমি বলেন,‘ জন্মদিন এলে আমি খুব আনন্দিত হই। কারণ আমার কাছে মনে হয় মানুষের জন্ম খুব আনন্দময় একটি ঘটনা যদি সে সুস্থ সবল হয়ে পৃথিবীতে আসে। একজন মানুষ হিসেবে জন্ম নিয়ে পৃথিবীর সব রূপ, রস অনুভব করছি, উপভোগ করছি-এটা সত্যিই অনেক আনন্দের। প্রতিটি মানুষেরই জন্মের কোন না কোন উদ্দেশ্য থাকে। সে জন্য প্রত্যেক মানুষেরই উচিত তার কর্মের মধ্যদিয়ে তার মুক্তি খুঁজে নেয়া। এ কারণেই জন্মদিন এলে আমার নিজেকে আরো পরিপূর্ণ মনে হয়, নতুন করে স্বপ্ন দেখি। কারণ মানুষ স্বপ্ন নিয়েই বাঁচে।’ আফসানা মিমি’র মা একদিন তার জন্মদিনে রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের যেখানে নবজাতকেরা থাকে সেখানে তার মা তাকে নিয়ে যান।

মিমির মা তাকে বলেন,‘ এই হাসপাতালেই তোমার আজকের দিনে জন্ম হয়েছিলো। তুমি নতুন বাচ্চাকে উপহার দাও।’ সেই থেকে মিমি দেশে থাকলে নিজের জন্মদিনে সন্ধ্যায় হলি ফ্যামিলিতে যান এবং নবজাতক শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং উপহার দেন। আজ চ্যানেল আইতে অনন্যা রুমার প্রযোজনায় দুপুর ১২.৩০ মিনিটে আফসানা মিমি জন্মদিন প্রসঙ্গে নানান কথা বলবেন। আফসানা মিমির প্রিয় স্থান তার নানুর বাড়ি বাগের হাটের ফকিরহাট উপজেলার সৈয়দ মহল্লা গ্রামে। সেখানে তার মায়ের কবর আছে, আছেন প্রিয় স্কুল শিক্ষক জহরলাল জহরলাল বসু। যিনি চেয়েছিলেন বড় হয়ে মিমি যেন ডাক্তার হন। কিন্তু হননি বলে আজো সেই স্যারের চাপা অভিমান আছে মিমির প্রতি। ছোট বেলায় জন্মদিনে বন্ধু বান্ধবরা নিজেদের ফুলের বাগান থেকে গাঁদা ফুল আর পাতাবাহার দিয়ে যে ফুলে তোড়া নিয়ে আসতেন তা খুব মিস করেন। আফসানা মিমি নিজে কখনো আয়োজন করে জন্মদিন উদযাপন করেন না।

তবে তার নির্মিথ ‘কাছের মানুষ’ ধারাবাহিকটি প্রচারের সময় চিত্রনায়ক আলমগীর এবং অভিনেত্রী সুবর্না মুস্তাফার আয়োজন সারপ্রাইজ বার্থ ডে পার্টি তার কাছে স্মরনীয় জন্মদিন। আফসানা মিমি নির্দেশিত সর্বশেষ ধারাবাহিক নাটক ‘সাতটি তারার তিমির’ যা এটিএন বাংলায় প্রচার হয়। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র আজিজুর রহমানের ‘দিল’। এরপর তিনি তানভীর মোকাম্মেলের ‘নদীর নাম মধুমতি’ ‘চিত্রা নদীর পাড়ে’ এবং মোরশেদুল ইসলামের ‘প্রিয়তমেষু’তে অভিনয় করেন।

 

সর্বাধিক পঠিত খবর




করোনার প্রতিষেধক প্রস্তুত




চীনের পাঠানো চিকিৎসা সরঞ্জাম আসছে আজ