শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭

English Version

সর্বোচ্চ ফরাসি সম্মান সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে

No icon আমার বিনোদন

আমার বিনোদন ডেস্ক: ৩০ বছর পর ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মান লেজিয়ঁ দ’ নরে ভূষিত বাঙালি। ১৯৮৭ সালে ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া মিতেরাঁ কলকাতা  এসে সত্যজিৎ রায়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সেই সম্মান।

সেই ‘লেজিয়ঁ দ’ নর’-ই এ বার পেতে চলেছেন সত্যজিতের প্রিয় নায়ক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এর আগে ফরাসি সংস্কৃতি মন্ত্রকের ‘অফিসিয়ে দে’ জার এ মেত্রিয়ে’ শিরোপায় সম্মানিত হয়েছিলেন সৌমিত্র। এ বার ১৮০২ সালে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের চালু-করা সম্মানও তাঁর হাতে। ‘‘বাঙালি অভিনেতা হিসেবে আমার কাজ যে আন্তর্জাতিক মানুষজনের মন ছুঁয়েছে, সেটাই আমার কাছে প্রাপ্তি,’’ বলছিলেন তিনি।

ছবির দেশ ও কবিতার দেশ থেকে আসা এই পুরস্কার এর আগেও রবিশঙ্কর, মৃণাল সেন অনেক বাঙালিকে বিভিন্ন স্তরে ছুঁয়ে গিয়েছে। আমাদের পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণের মতো এই ফরাসি সম্মানও নাইট, অফিসার, কম্যান্ডার, গ্র্যান্ড ক্রস ইত্যাদি বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত। সত্যজিতের অপু আগেই অফিসার হিসেবে সম্মানিত ছিলেন, এ বার এগিয়ে গেলেন আরও অনেক দূর। কম্যান্ডার! এটিই ফ্রান্সে কোনও শিল্পীর জন্য সর্বোচ্চ সম্মান। এবং সৌমিত্রই প্রথম ভারতীয় অভিনেতা, যিনি ভূষিত হলেন সেই সর্বোচ্চ ফরাসি শিল্পী-সম্মানে। ‘‘যে সময়ে ছবির কাজ শুরু করেছি, তার আগে থেকেই ফরাসি দেশের শিল্প, সাহিত্য মুগ্ধ করত আমাকে। সে দেশের কবি, চিত্রকর, চলচ্চিত্রকার, ঔপন্যাসিক, নাট্যকারদের শিল্পকর্মে বুঁদ হয়ে থাকতাম,’’ শুক্রবার সম্মানপ্রাপ্তির খবর পাওয়ার পর সৌমিত্রের স্মৃতিচারণ।

পুরস্কারপ্রাপ্তির এই সময়টাতেও ব্যক্তিগত বিষণ্ণতাকে এড়িয়ে যেতে পারছেন না তিনি। দুর্ঘটনায় আক্রান্ত নাতি রণদীপ এখনও হাসপাতালে। ‘‘বিষাদ-বিষণ্ণতার মধ্যেও এই সম্মান কোথাও একটা আলাদা অনুভূতির সঞ্চার করে।’’ সম্মান, বিষাদ এ ভাবেই পাশাপাশি থেকে গেল এই সন্ধ্যায়? সৌমিত্র খেয়াল রাখেননি, বাঙালির অনুভবের তন্ত্রীতে রয়ে গিয়েছেন তিনি। অপু-ফেলুদা-পুলু-ক্ষিদ্দা মিলিয়ে এক জীবন্ত অনুভূতি।

সর্বাধিক পঠিত খবর

ভারতে ভূমিষ্ঠ হল মৎস্যকন্যা !





শীতে দই খাওয়ার উপকারিতা

গ্যাস সমস্যায় যেসব খাওয়া নিষেধ



শিশুর মুখ থেকে বের হলো জীবত কই মাছ!