শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

English Version

বিড়ির উপর অতিরিক্ত কর মানে গরীবের উপর জুলুম করা : আ ক ম মোজাম্মেল হক

No icon সারা দেশের খবর

আমার হেলথ প্রতিবেদক, ১৯ জুন ২০১৬: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, বিড়ির উপর অতিরিক্ত কর মানে গরীবের উপর জুলুম করা। একই দেশে বিড়ি ও সিগারেটের উপর দুই রকম নীতি থাকতে পারে না। আমি আশা করি অর্থমন্ত্রী জাতীয় বাজেটে বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন গণমানুষের মুক্তি। এজন্য বৈষম্যমূলক অবস্থার থেকে বেরিয়ে এসে বিড়ি শ্রমিকদের বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করা দরকার।

গতকাল রোববার সকালে  বিড়ি-শ্রমিকের জীবন সংগ্রাম: রাজস্বনীতি ও জাতীয় বাজেট শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ওই সেমিনারে সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন গবেষণা ও উন্নয়ন কালেকটিভ (আরডিসি) এর চেয়ারপার্সন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মেসবাহ কামাল।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাজেট যদি বৈষম্যমুলক করনীতি থাকে তাহলে সেটা দু:খজনক। কারণ সাধরণ মানুষই বিড়ি খায়। এই বৈষম্য সমর্থন যোগ্য নয়।অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন গবেষণা ও উন্নয়ন কালেকটিভ (আরডিসি)’র সাধারন সম্পাদক জান্নাত-এ-ফেরদৌসী।

সভাপ্রধান মেজবাহ কামাল বলেন, ধুমপান অবশ্যই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু  করের বৈষম্য থাকবে সেটা তো হতে পারে না। বিড়ি শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তারা কোথায় দাঁড়াবে। রাষ্ট্রের তো এদের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, এদের পূর্নবাসন বা বিকল্প কর্মস্থানের জন্য বাজেটে প্রয়োজনে বরাদ্দ রাখতে হবে। অথবা এই পেশা থেকে কিভাবে মানুষগুলো বেরিয়ে আসবে তার জন্য ৫ বছর মেয়াদি একটি পরিকল্পনা নিতে হবে সরকারকে। 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বিড়ি-শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এম কে বাঙালী, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান, কারিগরি বিড়ি-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রণব দেবনাথ, প্রচার সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিড়ি শ্রমিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আব্দুর রহমান, হেনা বেগম, ফাতেমা খাতুন, আমেনা খাতুন, ময়না খাতুন প্রমুখ।

বৈঠকে বক্তারা বলেন, দেশে প্রায় ২শতাংশ মানুষ বিড়ি পান করেন। বিড়ি শ্রমিকদের দৈনিক গড় মজুরী প্রায় ৫৫ টাকা। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ৬দিনের পরিবর্তে ২ দিন কাজ হয়। যার ফলে শ্রমিকদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে।

গোল টেবিলে অংশ নেয়া বিভিন্ন জেলার বিড়ি শ্রমিকরা মজুরি বৃদ্ধিসহ বিকল্প কর্মস্থানের দাবি তোলেন।

 

সর্বাধিক পঠিত খবর


চূড়ান্তভাবে নিষিদ্ধ হলো রেনিটিডিন



শিশু দ্রুত লম্বা হবে যেসব খাবারে