শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯

English Version

স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

No icon সারা দেশের খবর

স্বাস্থ্য ডেস্ক — ২০ জুন, ২০১৬:  স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি দেশের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। নানা শর্ত জড়িয়ে দেয়ায় স্বাস্থ্যখাতের বিদেশি দাতাদের অর্থ প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের সীমিত সম্পদ দিয়ে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ঘটাচ্ছে সরকার। তবে জাতীয় প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্যখাতের বরাদ্দ আরো বাড়ানো দরকার।

গতকাল রাজধানীর বিএমএ সভাকক্ষে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন(বিএমএ) আয়োজিত ‘স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ : প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট ২০১৬-১৭’ শীর্ষক মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি তৌফিক মারুফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএমএ সভাপতি অধ্যাপক ডা: মাহমুদ হাসান ও মহাসচিব অধ্যাপক ডা: ইকবাল আর্সলান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: দীন মো: নূরুল হক, হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সহসভাপতি নুরুল ইসলাম হাসিব ও নির্বাহী সদস্য শিশির মোড়ল।

মোহাম্মদ নাসিম আরো বলেন, বিদেশী দাতাদের অর্থ সঠিক সময়ে দেশের প্রেক্ষাপট ও নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অসংখ্য শর্তের বেড়াজালে আটকে থাকে দাতাদের অর্থ। অনেক ক্ষেত্রে তাদের শর্ত পূরণ করতে গিয়ে উন্নয়ন ঘটানোর চেয়ে বিশেষ অসুবিধায় পড়তে হয়।

দেশের সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানসমূহে পরিচালনা সংক্রান্ত দুর্বলতার বিষয়টি তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদ দিয়ে দেশের প্রতিটি সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে ওষুধসহ প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল উপকরণ সরবরাহ করে যাচ্ছে সরকার। কিন্তু কিছু কিছু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে যারা থাকেন তাদের ম্যানেজারিয়াল অদক্ষতার কারণে ওই সব উপকরণ সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় ব্যবহৃত হয় না। অনেক হাসপাতালে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি পড়ে থাকলেও অনেক সময় স্বল্পমূল্যের অতি দরকারি মেডিক্যাল উপকরণ খুঁজে পাওয়া যায় না।

বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজসমূহ পরিদর্শন করার কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক আশীর্বাদে অনুমোদন পেয়ে শর্ত মানছেনা অনেক মেডিক্যাল কলেজ। সেগুলোর শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওষুধ শিল্পে উন্নতি লাভ করলেও কিছু সংখ্যক কারখানার ভেজাল, নিম্নমান ও অনুমোদনহীন ওষুধ দেশের সুনাম নষ্ট করছে। এসব বন্ধ করতে সরকারি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারাদেশে স্বাস্থ্যখাতে প্রায় দেড় লাখ পদ খালি রয়েছে। নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু মাঝে মাঝে আইনী জটিলতায় আটকে পড়ে নিয়োগ কার্যক্রম। খুব শীঘ্রই স্বাস্থ্যখাতের সব ক্ষেত্রে ই-টেন্ডারিং চালু করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: দীন মো: নুরুল হক বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বাজেটে মোট জাতীয় বাজেটের পরিমাণ প্রায় ৫.১ শতাংশ। কিন্তু সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিগুণ হওয়ায় প্রস্তাবিত বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ আরো বৃদ্ধি করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

সর্বাধিক পঠিত খবর


চূড়ান্তভাবে নিষিদ্ধ হলো রেনিটিডিন



শিশু দ্রুত লম্বা হবে যেসব খাবারে