সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

English Version

বিরল রোগের উৎস বের করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

No icon সারা দেশের খবর

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ১৪ জুলাই ২০১৭: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামনি চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠবে। চিকিৎসক ও নার্সরা তাকে সুস্থ করে তুলতে সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন মুক্তামনিকে দেখতে যান মন্ত্রী। তিনি সেখানে তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, মুক্তামনির হাত বটবৃক্ষের মতো হয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় তার চিকিৎসা চলছে। এর আগেও এখানে চিকিৎসা নিয়ে বৃক্ষমানব সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গরিব মানুষরা বিরল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ ধরনের রোগের পেছনে উৎস কি তা বের করা হবে। তিনি বলেন, ফুলের মতো ছোট্ট মেয়ে মুক্তামনি আমাকে শুধু বললেন দোয়া করবেন। সমগ্র দেশবাসী তার জন্য দোয়া করছেন।

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ত্রিপুরা পাড়ায় অজ্ঞাত রোগে গত চারদিনে ৯ শিশুর মৃত্যু প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই যুগে মানুষ কিভাবে কুসংস্কারে বিশ্বাস করে? সচেতনতার অভাবে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না নেওয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। তারা কবিরাজি চিকিৎসা ছাড়া কোনো চিকিৎসা নিতে চাচ্ছিল না। পরে আমি সিভিল সার্জনকে সেখানে পাঠাই এবং এক ধরনের জোর করে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিকুনগুনিয়া প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকুনগুনিয়া অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, এটা একটা ভাইরাসজনিত রোগ। আগামীতে এ রোগ যাতে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সেজন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। বর্তমানেও চিকিৎসরা সঠিকভাবে চিকিৎসা প্রদান করে যাচ্ছেন। 

বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামনি এখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি আছে। তার চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার ৮ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। বুধবার তারা শিশুটিকে পর্যবেক্ষণ করেন। বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ড. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘সময়মতো যদি মেয়েটির সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেত তাহলে আজ এ অবস্থা হত না। তার হাতের ফাংশন ঠিক আছে। সে হাত মুঠি করতে পারে। কিন্তু তাকে অপারেশনের উপযোগী করে তুলতে ৭-১০ দিন সময় লাগবে। তার রক্তশূন্যতা ও অপুষ্টিজনিত সমস্যা রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত খবর


নাকের পলিপ হওয়ার কারণ ও চিকিৎসা


বাসি রুটির এতো গুণ ?

কতটুকু ভাত খেলে মোটা হবেন না?




শীতে দই খাওয়ার উপকারিতা

গ্যাস সমস্যায় যেসব খাওয়া নিষেধ