রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

English Version

নিরামিষভোজীতে বাড়তে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকি!

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৬৪দিন
:
১১ঘণ্টা
:
৩৯মিনিট
:
৫৬সেকেন্ড
No icon আমার ডাক্তার

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০৯ সেপ্টেম্বর’ ১৯: নিরামিষভোজীদের খাদ্যাভ্যাস হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দিলেও বাড়িয়ে দেয় স্ট্রোকের ঝুঁকি। সম্প্রতি এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে। ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণাটি ১৮ বছর ধরে ৪৮ হাজার মানুষের ওপর পরিচালনা করা হয়েছে।

প্রতি এক হাজার জনের মধ্যে নিরামিষভোজীদের মধ্যে করোনারি হৃদরোগীর সংখ্যা মাংসাশীদের তুলনায় ১০ জন করে কম পাওয়া গেছে। কিন্তু স্ট্রোকের ঝুঁকি রয়েছে—এমন মানুষের সংখ্যা তিনজন করে বেশি পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের খাদ্যাভ্যাস যেমনই হোক না কেন, বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যময় খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ভালো। এপিক-অক্সফোর্ড স্টাডি মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রকল্প। ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অর্ধেকই ছিল মাংসাশী। ১৬ হাজারের কিছু বেশি ছিল নিরামিষভোজী। আর সাড়ে সাত হাজার অংশগ্রহণকারী জানায় যে তারা আহার হিসেবে মাছ খেত।

অংশগ্রহণের সময় এবং ২০১০ সালে আবার নতুন করে এসব অংশগ্রহণকারীর খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য, ধূমপান এবং শারীরিক কর্মকাণ্ডের বিষয়গুলোও আমলে নেওয়া হয়েছিল। সব মিলিয়ে করোনারি হৃদরোগ বা সিএইচডির সংখ্যা মেলে দুই

হাজার ৮২০টি, স্ট্রোকের সংখ্যা এক হাজার ৭২টি যার মধ্যে ৩০০টি মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ জনিত। মস্তিষ্কের দুর্বল শিরা ছিঁড়ে গিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হলে এ ধরনের স্ট্রোক হয়। মাংসাশীদের তুলনায় মাছভোজীদের মধ্যে সিএইচডির ঝুঁকি ১৩ ভাগ কম ছিল। আর নিরামিষভোজীদের মধ্যে এই হার ২২ ভাগ কম ছিল।

কিন্তু যারা উদ্ভিদ ও শাক-সবজি খেয়ে জীবন ধারণ করে বা যারা নিরামিষভোজী, তাদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি ২০ শতাংশ বেশি ছিল।

গবেষকদের ধারণা, ভিটামিন বি-১২ এর অভাবের কারণে এই ঝুঁকি বেড়ে যায়। তবে তাঁরা বলেন যে এর প্রকৃত কারণ খুঁজে পেতে হলে আরো গবেষণার দরকার। এমনও হতে পারে যে খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে আসলে এর কোনো সম্পর্ক নেই। বরং যারা মাংস খায় না, তাদের জীবনের অন্যান্য কারণের জন্য এই ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

ব্রিটিশ ডায়েটিক অ্যাসোসিয়েশনের ডা. ফ্রাঙ্কি ফিলিপস বলেন, এটা নাও হতে পারে। কারণ এই গবেষণাটি শুধু একটি পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা মাত্র। তিনি বলেন, ‘তাঁরা শুধু পর্যবেক্ষণ করেছে যে মানুষ কী খায় এবং তাদের বছরের পর বছর ধরে অনুসরণ করেছে, এটা শুধু সম্পৃক্ততাই জানান দেয়, কারণ বা প্রভাব সম্পর্কে বিশ্লেষণ করে না। সবচেয়ে ভালো হচ্ছে একটি পরিকল্পিত খাদ্যাভ্যাস এবং বিভিন্ন ধরনের খাবার খাওয়া।’

সূত্র : বিবিসি।

সর্বাধিক পঠিত খবর





দেশে চিকিৎসা গবেষণা বাড়াতে হবে

ডিমেনসিয়া রোগীর আহার

জ্বর ঠোসা সারানোর সহজ উপায়



ময়মনসিংহে প্যাথেডিন ইনজেকশনসহ আটক ২