শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২০

English Version

কৃত্রিম সুইটেনার অত্যন্ত ক্ষতিকর

No icon আমার ডাক্তার

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০১ অক্টোবর’ ১৯: অতিরিক্ত মাত্রায় চিনি খেলে দেহ কোষের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি দেহে গ্লুকোজ সিক্স ফসফেট বেড়ে যায়। এতে হৃৎপিণ্ডে প্রোটিনের তারতম্য ঘটে। একপর্যায়ে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থাও হতে পারে। চিনি শরীরে এন্ডোরফিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়ার ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়।

 চিনি বাইল এসিড বাড়িয়ে দিয়ে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকির কারণ হয়ে ওঠে। এ ছাড়া রক্তে প্রোটিনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। যারা নিয়মিত চিনি খান, তাদের রক্তের প্রোটিনে (অ্যালবুমিন ও লাইপোপ্রোটিন) বিরূপ প্রভাব পড়ে। এতে শরীরে চর্বি ও কোলেস্টেরল বৃদ্ধি পায়। চিনির বিকল্প খাবার অর্থাৎ কৃত্রিম (আর্টিফিশিয়াল) সুইটেনার দেহের জন্য চিনির চেয়েও কয়েক শ’ গুণ বেশি ক্ষতিকর। আর্টিফিশিয়াল চিনি হচ্ছে : সুক্রালোজ, অ্যাসপারটেম, অ্যাসেসালফেম-কে, স্যাকারিন প্রভৃতি। বিভিন্ন ধরনের বেকারির পণ্যে, ডায়েট পানীয় তৈরিতে, শিশুদের জন্য তৈরি খাদ্যে ও বোতলজাত জুস প্রভৃতি তৈরিতে এই কৃত্রিম সুইটেনারগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়।

সুক্রালোজ নামের আর্টিফিশিয়াল সুইটেনার প্রাকৃতিক চিনির চেয়ে প্রায় ৬০০ গুণ বেশি মিষ্টি। এটি শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয়। অ্যাসপারটেম চিনির চেয়ে ২০০ গুণ বেশি মিষ্টি। মাথাব্যথা ও মানসিক উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়াসহ অন্তত ৮০টি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এই আর্টিফিশিয়াল সুইটেনার। অ্যাসেসালফেম-কে নামের সুইটেনার সাধারণত ডায়েটারি সাপ্লিমেন্ট ও ডেজার্টে বেশি ব্যবহৃত হয়।

 এটিও চিনির চেয়ে ২০০ গুণ বেশি মিষ্টি। মাথাব্যথা, হতাশাসহ ক্ষতিকর অনেক উপসর্গ তৈরি হয় এই সুইটেনার গ্রহণে। বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যে ব্যবহৃত সোডিয়াম স্যাকারিন নামের আর্টিফিশিয়াল সুইটেনার চিনির চেয়ে ৩০০-৪০০ গুণ বেশি মিষ্টি। এই উপাদান দেহে ক্যান্সার তৈরিতে ভূমিকা রাখে। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের সবারই উচিত এই আর্টিফিশিয়াল সুইটেনার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা।

সর্বাধিক পঠিত খবর




করোনার বিরুদ্ধে একা লড়াই