বৃহস্পতিবার, ২৯ জুন ২০১৭

English Version

শিশুর কৃমি ও প্রতিকার

No icon অামার ডাক্তার

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ২০ এপ্রিল ২০১৭: কৃমি একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। শরীর থেকে শোষণ করে নেয় পুষ্টি উপাদান। এছাড়া পেটের ব্যথা, খাদ্যে অরুচি, পাতলা পায়খানা, বমি বমি ভাব, পায়খানার রাস্তায় চুলকানি ইত্যাদি নানা সমস্যা তৈরি করে। অনেক সময় মৃত্যুরও কারণ হয়ে দাঁড়ায় কৃমি।  

বিভিন্ন প্রকার কৃমির মধ্যে গোলকৃমি, ফিতা কৃমি ও গুঁড়া কৃমির প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। কখনো কখনো গোলকৃমি শিশুর নাক-মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। এটি শিশুর শ্বাসনালীতেও প্রবেশ করতে পারে। এ ছাড়া এটি শিশুর অন্ত্রে বা পিত্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। ফিতা কৃমি শিশুর অন্ত্রে লেগে থেকে রক্তপাত ঘটায়। এতে শিশু ধীরে ধীরে রক্তশূন্য হয়ে পড়ে। পায়খানার রাস্তায় চুলকানির জন্য গুঁড়া কৃমি দায়ী।

কৃমির দীর্ঘ মেয়াদী সংক্রমণের ফলে শিশুর খাদ্যে অরুচি হয় এবং সে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়।

চিকিৎসা- Albendazole বা Mebendazole অথবা Pyrental pamoate দিয়ে সাধারণত শিশুর কৃমির চিকিৎসা করা হয়। আমাদের দেশে বছরে দুই বার জাতীয় টীকা দিবসে পোলিও টীকার পাশাপাশি এক বছর থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের কৃমি নাশক ওষুধ (Albendazole) খাওয়ানো হয়।

প্রতিরোধ –
* শিশুদের হাতের নখ বড় রাখা যাবে না এবং দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস পরিহার করতে হবে। 
* সময়মতো কৃমিনাশক ওষুধ গ্রহণ করতে হবে। 
* মানুষের অপরিশোধিত মল জমির সার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। 
* গৃহস্থালির কাজে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে হবে। 
* স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। 
* খাবারের আগে বা টয়লেটের পরে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

 

 

সর্বাধিক পঠিত খবর

রক্তনালীর ব্লক রোধে ৭ খাবার

পানপাতার আশ্চর্যজনক উপকারিতা!



মারা গেল ভিনগ্রহী সেই শিশু