বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯

English Version

ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় এবার যেসব নতুন স্থান যুক্ত হলো

No icon আমার পরিবেশ

স্বাস্থ্য ডেস্ক ০৭ জুলাই’১৯:  বিশ্বের প্রাকৃতিক নিদর্শন আর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়। এবারও বৈঠকে বসেছে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি। আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক ৪৩তম।

ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় এবার যেসব নতুন নিদর্শন বা স্থানের নাম যুক্ত হয়েছে তার কয়েকটি ছবি:

আইসল্যান্ডের ভাখনাইওকুল ন্যাশনাল পার্ক

আইসল্যান্ডের মোট সীমানার ১৪ শতাংশ জুড়েই রয়েছে ভাখনাইওকুল ন্যাশনাল পার্ক। বরফ আচ্ছাদিত এবং আগ্নেয়গিরির বৈশিষ্ট্য সম্বলিত পুরো অঞ্চলটি দারুণ দৃষ্টিনন্দন। এখানে বিশাল অঞ্চলজুড়ে রয়েছে শুকিয়ে যাওয়া অগ্নুৎপাত।

ফ্রান্সের অস্ট্রাল ভূমি ও সমুদ্র

অনেকগুলো দ্বীপ সম্বলিত এই অঞ্চলটি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পাখি এবং সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী বাস করে এখানে। বিরল কিং পেঙ্গুইন দেখতে পাওয়া যাবে এখানে গেলে।

ভারতের জয়পুর নগরী

ভারতের উত্তর পশ্চিমে রাজস্থান প্রদেশের রাজধানী জয়পুরকে বলা হয় 'গোলাপি নগরী'। কারণ শহরের ভবনগুলোকে দূর থেকে গোলাপি মনে হয়। এখানে বহু প্রাচীন ভবন রয়েছে। এমনকি শহরটি প্রথম যখন প্রতিষ্ঠিত হয় সেই ১৭২৭ সালের সময়কার ভবনও রয়েছে। দারুণ সব কারুকার্য দিয়ে সাজানো এসব ভবন।

জাপানের প্রাচীন সমাধি

জাপানের ওসাকা শহরে এমন ৪৯টি প্রাচীন সমাধি রয়েছে। এগুলো গড়ে উঠেছে তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ শতাব্দীতে। সমাধিগুলো নানা আকৃতির। যেমন এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে তালার ছিদ্রের মতো আকৃতির সমাধি। এটির নামকরণ করা হয়েছে ২৯০ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণকারী সম্রাট নিনতোকুর নামে। এটি জাপানের সর্ববৃহৎ সমাধি।

ইরাকের ব্যাবিলন

ইরাকে অবস্থিত প্রাচীন মেসোপটেমিয়া নগরীকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বহুদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছিল ইরাকের কর্তৃপক্ষ।

দেশটির যুদ্ধ ও সংঘাতময় রাজনীতির কারণে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যাবিলন নগরী। তবে সম্প্রতি এর অতীত গৌরব সংরক্ষণে নানা ধরনের কাজ চলছে।

বাগান, মিয়ানমার

মিয়ানমারের প্রাচীন রাজধানী বাগান। ছবিতে যেগুলো দেখছেন এগুলো বৌদ্ধ মন্দির। সবুজ প্রকৃতির মধ্যে এমন হাজার মন্দির আগে থেকেই পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।

লাওসের বয়াম সদৃশ প্রাচীন স্থাপনা

লাওসের ঝিংখাওয়াং অঞ্চলে পাথর দিয়ে তৈরি এমন হাজার হাজার বয়াম সদৃশ বস্তু রয়েছে। প্রত্নতত্ত্ববিদরা মনে করেন এগুলো লৌহ যুগে তৈরি। কেন এগুলো তৈরি করা হয়েছিল সেটি এখনও অনেক রহস্যাবৃত। অনেক প্রত্নতত্ত্ববিদ মনে করেন এগুলো মৃতদেহ সৎকারে ব্যবহৃত হতো।

লাওসের বয়াম সদৃশ প্রাচীন স্থাপনা

লাওসের ঝিংখাওয়াং অঞ্চলে পাথর দিয়ে তৈরি এরকম হাজার হাজার বয়াম সদৃশ বস্তু রয়েছে।

প্রত্নতত্ত্ববিদরা মনে করেন এগুলো লৌহ যুগে তৈরি। কেন এগুলো তৈরি করা হয়েছিলো সেটি এখনো অনেক রহস্যময়।

অনেক প্রত্নতত্ত্ববিদ মনে করেন এগুলো সম্ভবত মরদেহ সৎকারে ব্যবহৃত হতো।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

সর্বাধিক পঠিত খবর





শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে - আমলকি



মিলল প্লাস্টিক বধের ‘অস্ত্র’!

ম্যাজিকের মতো অসুখ সারবে নিমপাতায়

লিভারকে পরিষ্কার রাখে যে ৩টি খাবার