মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

English Version

মহামারীর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার প্রস্তুতি

No icon আমার পরিবেশ

ডেস্ক রিপোর্ট, ১৮ মে, ২০২০: কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’; তাই এই সঙ্কটকালে ঝড় মোকাবেলার প্রস্তুতিও নিতে হচ্ছে সরকারকে।

অতিপ্রবল এই ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে আঘাত হানার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে উপকূলীয় অঞ্চলের লোকজনদের রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এজন্য আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান জানিয়েছেন।

ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে রোববার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা শেষে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী একথা জানান।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ আরও উত্তর-পশ্চিমে এগিয়ে আসায় বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়ে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

 

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যালোচনা অনুযায়ী যদি ঘূর্ণিঝড়টি তার গতি ও দিক পরিবর্তন না করে, তাহলে আগামী ১৯ মে দিবাগত রাতে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানতে পারে।

“ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে। উপকূলীয় জেলাগুলোতে সাইক্লোন সেন্টারগুলো প্রস্তুত রাখতে জন্য ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

 

আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উত্তর ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান প্রবণতা বজায় থাকলে এ ঝড়ের উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছাতে দিন দুয়েক সময় লাগতে পারে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।

তাই আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে তা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে সেই প্রশ্ন করেন একজন সাংবাদিক।

জবাবে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে যেন মানুষজনকে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা যায় সে লক্ষ্যে এবার আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপকূলীয় জেলাগুলোর জেলা প্রশাসকদের ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

সর্বাধিক পঠিত খবর