রবিবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২০

English Version

গামা রশ্মি দিয়ে মশা চাষে প্রথম ধাপে সাফল্য!

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৬৪দিন
:
১১ঘণ্টা
:
৩৯মিনিট
:
৫৬সেকেন্ড
No icon সুসংবাদ

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০২ সেপ্টেম্বর’ ১৯: পরীক্ষামূলকভাবে হলেও ডেঙ্গুপ্রতিরোধী মশা চাষের প্রাথমিক ধাপে সাফল্য মিলেছে সাভারে পরমাণু শক্তি কমিশনের গবেষণাগারে। স্ট্রেরেইল ইনসেক্ট টেকনিক (এসআইটি) পদ্ধতিতে গামা রশ্মি প্রয়োগ করে পুরুষ মশাকে প্রজনন অক্ষম করে দেওয়া হচ্ছে ওই মশার খামারে। গত ৩ আগস্ট এ কাজ শুরু করেছিলেন ওই গবেষণাগারের বিজ্ঞানীরা। আন্তর্জাতিকভাবে বায়োলজিক্যাল ইনসেক্ট কন্ট্রোল মেথডে এই পরীক্ষামূলক কাজে সম্প্রতি ঢাকায় এসে দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি বিশেষজ্ঞদল।

গবেষণা কার্যক্রমে যুক্ত একাধিক সূত্রে জানা যায়, খামারে চাষ করা মশা ছেড়ে দেওয়া হবে ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকায় এডিস মশার ভেতর। এতে ডেঙ্গুর ভাইরাস বহনকারী নারী এডিস মশার বংশ বৃদ্ধি কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের উদোগে পাইলট প্রকল্প আকারে চলমান এ কাজে পরমাণু শক্তি কমিশনের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও যুক্ত আছে।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের উপব্যবস্থাপক ডা. আক্তারুজ্জামান বলেন, এরই মধ্যে এসআইটির আওতায় মশা চাষের প্রথম এক ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। তবে এখনো দুই-তিন বছর লাগবে চূড়ান্ত সাফল্য-ব্যর্থতা নিরূপণ করতে। তিনি জানান, পাইলট প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঢাকার আশেপাশে আরো দুই-তিনটি জেলায় গবেষণাকাজ চালানো হবে।

এদিকে পরমাণু শক্তি কমিশন সূত্রে জানা যায়, মশা ব্যবস্থাপনা গবেষণা কর্মসূচির আওতায় মশা নিয়ন্ত্রণের পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে এডিস ও কিউলেক্স মশার লার্ভা নিধনকারী জৈব বালাইনাশক উদ্ভাবনের জন্য এই প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা কাজ করে যাচ্ছেন আগে থেকেই।

সর্বাধিক পঠিত খবর






দেশে চিকিৎসা গবেষণা বাড়াতে হবে

ডিমেনসিয়া রোগীর আহার

জ্বর ঠোসা সারানোর সহজ উপায়