শনিবার, ০৬ জুন ২০২০

English Version

সুপেয় পানি ও স্যানিটেশনে ১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

No icon সুসংবাদ

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ৩১ অক্টোবর ২০১৯: দেশের ১৯টি জেলার ৩০টি পৌরসভায় সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে এ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থার বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেমবন স্বাক্ষর করেন।

এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ১ হাজার ৭৫১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩০টি পৌরসভায় পাইপলাইনে পানি সরবরাহ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। ওয়াটার ও স্যানিটেশন কার্যক্রমে পৌরসভাগুলোকে জরুরি সহায়তা, পৌরসভার ওয়াটার সাপ্লাই ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার ওপর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় ৯০টি পাবলিক টয়লেট স্থাপন, ৯ হাজার বাড়িতে উন্নত ল্যাট্রিন নির্মাণ, বিদ্যমান পানির উৎসগুলো পুনরুজ্জীবিতকরণ, পানির মিটার স্থাপন, গারবেজ ট্রাক ক্রয়, পৌরসভার জন্য ভেকু সংগ্রহসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতিও সংগ্রহ করা হবে।

এ প্রকল্পের আওতাধীন পৌরসভাগুলো হলো নারায়ণগঞ্জ জেলার তারাবো, টাঙ্গাইলের মধুপুর, ধনবাড়ী, ভুয়াপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া, চট্টগ্রামের বাঁশখালী, চান্দনাইশ, কুমিল্লার হোমনা, দেবিদ্বার, ফেনীর পরশুরাম, লক্ষ্মীপুরের রামগতি, নোয়াখালীর সেনবাগ, বগুড়ার কাহালু ও শিবগঞ্জ, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি, আক্কেলপুর, নাটোরের বনপাড়া, বড়াইগ্রাম, চাঁপাইনবাগঞ্জের নাচোল, রাজশাহীর কাটাখালী, তাহিরপুর, বাঘা, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া, যশোরের চৌগাছা, মেহেরপুরের গাংনী, মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও কমলগঞ্জ এবং জামালপুরের ইসলামপুর পৌরসভা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ বলেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের পরম বন্ধু। অনেক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক আমাদের ঋণ দিয়ে আসছে। আমরা সেই ধারাবাহিকতায় এ ঋণ পেয়েছি। কোনো ধরনের অপচয় না করে জনগণের এ অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি প্রকেল্পের যথাযথ মান নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ-ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেমবন বলেন, যারা ছোট শহরে বাস করে এবং যেখানে বিভিন্ন বস্তি গড়ে উঠেছে, তারা এ প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবে। আমি মনে করি, নারীরা যেভাবে নিরাপদ পানির জন্য লড়াই করে এবং শিশুরা তাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য নানা কষ্টে থাকে, এ প্রকল্প সেটা থেকে তাদের মুক্তি দেবে। এখন থেকে স্কুলে যাওয়া শিশুদের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে জানান তিনি।

সর্বাধিক পঠিত খবর




করোনার বিরুদ্ধে একা লড়াই