শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২০

English Version

দেশে ক্ষুধার সমস্যা কমছে, সূচকে উন্নতি

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৬৪দিন
:
১১ঘণ্টা
:
৩৯মিনিট
:
৫৬সেকেন্ড
No icon সুসংবাদ

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ১০ ডিসেম্বর’১৯: বাংলাদেশের ক্ষুধা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। ওয়ার্ল্ড হাঙ্গার ইনডেক্সে ১১৭ দেশের তালিকায় ৮৮ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ। বর্তমানে ক্ষুধা সূচকে দেশের স্কোর ২৫ দশমিক ৮। গত বছর এই স্কোর ছিল ২৬ দশমিক ১। ২০০০ সালে ছিল ৩৬।

সোমবার এসব তথ্য প্রকাশ করে ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট। এ উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানায়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে ভারত ১০২, পাকিস্তান ৯৪, নেপাল  ৭৩, মিয়ানমার ৬৯ এবং শ্রীলংকা ৬৬তম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতির উন্নতি ঘটছে ধারাবাহিকভাবে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপযোগী পদক্ষেপে কৃষিতে সাফল্য ঈর্ষণীয়। কৃষিজমি ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাওয়া, জনসংখ্যা বৃদ্ধিসহ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও বৈরী প্রকৃতি বিরাজমান থাকলেও খাদ্যশস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উদাহরণ।

মন্ত্রী বলেন, ধান, গম ও ভুট্টা বিশ্বের গড় উৎপাদনকে পেছনে ফেলে ক্রমেই এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। সবজি উৎপাদনে তৃতীয় আর চাল ও মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ অবস্থানে। বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও দুর্যোগ সহিষুষ্ণ শস্যের জাত উদ্ভাবনেও শীর্ষে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এমডিজির প্রায় সবগুলো অর্জন করেছে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ সার্বিকভাবে উন্নতির দিকেই রয়েছে। বাংলাদেশ শিশুমৃত্যু হ্রাসে ভালো করেছে এবং অন্যান্য সূচকেও ভালো করবে। পুষ্টিহীনতা, শিশু খর্বাকায় ও শিশুমৃত্যু হার হ্রাস পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে কি-নোট উপস্থাপন করেন জাতীয় পুষ্টিসেবার লাইন ডিরেক্টর ডা. এস এম মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পুষ্টি কাউন্সিলের মহাপরিচালক ডা. শাহনেওয়াজ, কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর এ কে এম মুসা ও হেলভেটাস বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর উম্মে হাবিবা।

কোনো দেশের জনগণ কতটা খাদ্যাভাব অর্থাৎ খিদে পেটে থাকে, তা তুলে ধরা হয় বিশ্ব ক্ষুধা সূচক বা গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে (জিএইচআই)। এই সূচক নির্ধারণ করা হয় শূন্য থেকে ১০০ পয়েন্টের মাপকাঠিতে। এই মাপকাঠিতে শূন্য সবচেয়ে ভালো স্কোর। ১০-এর কম স্কোর পাওয়ার অর্থ খিদের সমস্যা কম। ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ স্কোরের অর্থ তীব্র খিদে; ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ অর্থ ভীতিকর খিদে আর ৫০ বা তার বেশি স্কোর বলতে বোঝায় চরমভাবে খিদেপীড়িত দেশ।

জিএইচআই তৈরি হয়েছে চারটি মাপকাঠিতে। অপুষ্টি, পাঁচ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে কম ওজনের শিশু, পাঁচ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে কম উচ্চতার শিশু এবং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার।

সর্বাধিক পঠিত খবর





দেশে চিকিৎসা গবেষণা বাড়াতে হবে

ডিমেনসিয়া রোগীর আহার

জ্বর ঠোসা সারানোর সহজ উপায়


ময়মনসিংহে প্যাথেডিন ইনজেকশনসহ আটক ২