রবিবার, ৩১ মে ২০২০

English Version

চট্টগ্রাম মেডিক্যালে আধুনিক মর্গ ব্যবহারের অনুপযোগী

No icon হেলথ ক্রাইম

তুহিন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ নামেই অত্যাধুনিক টিচিং মর্গ। ১১ বছরেও পূর্ণতা পায়নি মর্গটি। ফরেনসিক বিভাগে সিনিয়র ও জুনিয়র মিলে পাঁচ জন চিকিৎসক ছাড়া অন্যকোনো জনবল নেই।

মর্গে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, দক্ষ জনবল ও আধুনিক উপকরণ না থাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশিক্ষণ, ময়না তদন্ত ও অন্যান্য পরীক্ষার কাজে মারাত্মক বিঘ্ন হচ্ছে। ২০০৬ সালে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনটি অল্প সময়ের মধ্যে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দেয়ালে ছোট-বড় অসংখ্য ফাটল সৃষ্টি হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। প্রধান সড়কের পাশে মর্গের অবস্থানের ফলে পথচারীদের অস্বস্তি পোহাতে হচ্ছে।

অস্বাভাবিক মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে আধুনিক মর্গের গুরুত্ব অপরিসীম। চট্টগ্রাম বিভাগের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন ও ময়না তদন্তের জন্য অত্যাধুনিক টিচিং মর্গের প্রয়োজনে গত ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এলাকায় মর্গটি স্থানান্তর করা হয়।

পূর্বে নগরীর আন্দরকিল্লা এলাকায় জেনারেল হাসপাতালে ছোট পরিসরে একটি কক্ষে ময়না তদন্তের কাজ হতো। দশতলা বিশিষ্ট ভবনের নকশায় শুরুতে একতলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এতে রয়েছে লাশ কক্ষ, চিকিৎসকদের কক্ষ, মৃতদেহ রাখার ফ্রিজ, শ্রেণিকক্ষ সংযুক্ত ময়না তদন্ত রুম।

চিকিৎসকরা জানান, ফরেনসিক বিভাগে ময়না তদন্তের বিষয়গুলো মর্গে এসে হাতে-কলমে শিখতে হয়। কিন্তু এই শিক্ষাটা একেবারেই হচ্ছে না। ফরেনসিক বিভাগে ইন্টার্নিদের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে ফরেনসিক মেডিসিনে পাঁচ বছর মেয়াদী এমডি কোর্স চালু রয়েছে। কিন্তু এই কোর্সে কোনো শিক্ষার্থী নেই। ফরেনসিক মেডিসিনে দুই বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স রয়েছে। তবে ডিপ্লোমা কোর্স চট্টগ্রামে কোথাও চালু নেই।

সর্বাধিক পঠিত খবর




করোনার বিরুদ্ধে একা লড়াই