সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

English Version

শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশে কয়েকটি খাবার

No icon শিশু কর্নার

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ৬ নভেম্বর’১৮:  প্রথম কয়েক বছর শিশুর এ বিকাশ খুব দ্রুত হয়ে যায়। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হয়তো এ প্রক্রিয়াটি ধীরে ধীরে সম্পন্ন হয়। মস্তিষ্কের সুস্থ   বিকাশ নিশ্চিত করতে সুষম খাদ্যের ভূমিকা অনেক। চলুন জেনে নেই এমন সব খাদ্যের নাম আর পুষ্টিকথা-

বুকের দুধ: ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের জন্য একমাত্র সুষম খাদ্য হচ্ছে মায়ের দুধ। ২ বছর পর্যন্ত অন্য খাবারের পাশাপাশি বুকের দুধ খাওয়া চলতে থাকে। এতে রয়েছে সব ধরণের ভিটামিন, অ্যান্টিবডি, মিনারেল, ফ্যাট, প্রোটিন সবই শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য জরুরি। শিশুর রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কার্যকরী, শিশুর সুস্থ বিকাশে সহায়ক।

কলা: কলা পটাশিয়ামে ভরপুর। কলা হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ উৎস আপনার শিশুর মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য। সব শিশুরাই কলা খেতে কম-বেশি পছন্দ করে। পটাশিয়াম ছাড়াও এতে রয়েছে আয়রন, ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম।

শাক: আমরা জানি, ব্রেইনের জন্য আয়রন খুবই দরকারি। লালশাক, পালংশাক, মুলাশাক, ডাটাশাক, সরিষাশাক, হেলেঞ্চাশাক, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, থানকুনি পাতা এগুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে আয়রন, আঁশ আর নানারকম ঔষধি গুন। শিশুরা যখন সলিড খাবার খেতে শুরু করে, তখন আমরা নরম খিচুড়ি করে খাওয়াই। সঙ্গে দেই নানা রকম সবজি, শাক আর ডাল।

লাউ এবং কুমড়া: লাউ বা কুমড়া জাতীয় সবজি, ঝিঙা, চিচিংগাতে রয়েছে আয়রন, ভিটামিন সি ও এ। মস্তিষ্কের সুস্থ বিকাশের জন্যও ভালো

মাছ, মাংস: মাংসে থাকে প্রচুর জিঙ্ক, আয়রন, প্রোটিন যা শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিত করে। মাছ আর মাছের তেলে আছে প্রোটিন আর ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড, যা শিশুকে মানসিকভাবে চটপটে হতে সাহায্য করে। মাছ বা মাংসের স্যুপ করে খাওয়াতে পারেন চাইলে।

ডিম: শিশুরা ডিম খেতে খুবই পছন্দ করে। ডিমের পুষ্টিগুনেরও শেষ নেই। ডিম সহজলভ্য প্রোটিনের উৎস হিসেবে পরিচিত হলেও, এতে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড ও লুটেইন। আর রয়েছে কোলিন যা ফুসফুসের জন্য ভালো, স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সহায়ক। ডিমের কুসুম আর সাদা অংশ, দুটোই শিশুর জন্য উপকারী।

ডাল জাতীয় শস্য: নানা প্রকার ডাল, যেমন- মসুর, মুগ, কলাই, খেসারি, সিমের বীজ এগুলোতে আছে প্রচুর ফাইবার আর প্রোটিন। পুষ্টিগুনেও সেরা। পাঁচমিশালি ডাল ও সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে খাওয়ান শিশুকে।

দই: দইও মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক। নিউরোট্রান্সমিশন আর মস্তিষ্কের টিস্যুর সুস্থ বিকাশের জন্য উপকারী হচ্ছে দই। টক দইয়ের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে বা মিষ্টি দই খাওয়ান।

বাদাম: বাদামের ভিটামিন ই আর তেল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ওয়ালনাট, কাজুবাদাম, আলমন্ড, চীনাবাদাম, পেস্তাবাদাম- সব ধরণের বাদামই খাওয়ান শিশুকে। এক এক ধরণের বাদাম থেকে শিশু একেক রকম পুষ্টি পাবে। বাদাম আর শুকনো ফল ব্লেন্ড করে গুড়ো করে রাখুন। দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াতে পারবেন যখন তখন।

সর্বাধিক পঠিত খবর

কিডনি ইনফেকশন প্রতিরোধের উপায়

বুদ্ধিমান সন্তান চেনার উপায়?

মেদ কমান, সুস্থ থাকুন


থাইরয়েডের সমস্যায় যে খাবার খাবেন




চুলের বৃদ্ধি বাড়ায় আদা ও রসুন

শীতে শ্বাসকষ্ট এড়াতে যা যা করবেন