বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮

English Version

ভালসারটান ওষুধ নিয়ে জরুরি বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

No icon ফার্মাসিউটিক্যালস

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ২২ জুলাই’১৮: সারাবিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টিকারী উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগীদের জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ভালসারটান নিয়ে রবিবার জরুরি বৈঠকে বসছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফুড অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্টেশন (এফডিএ) রিপোর্টে উঠে এসেছে যে, ভালসারটান ওষুধ সেবনে লিভার, ফুসফুস ও স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা  বেশি। এটি নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শুক্রবার দৈনিক ইত্তেফাকে এ সম্পর্কিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ওষুধটি উৎপাদনে কোন দেশের কাঁচামাল ব্যবহার করছে, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর সেই বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানানো হয়েছে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আফজালুর রহমান প্রথমে সিএনএন’র একটি প্রতিবেদনে ভালসারটানের ক্ষতিকর প্রভাব জানতে পারেন। তখন থেকে ডা. আফজালুর রহমান এ ওষুধ তৈরির র-মেটারিয়ালসের সোর্স সম্পর্কে ওষুধ কোম্পানিগুলোর কাছে জানতে চান। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন ওষুধ কোম্পানি এটি সম্পর্কে তাকে কিছুই জানায়নি। ভালসারটান ওষুধটি বাংলাদেশের বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি বিভিন্ন নামে বাজারজাত করে থাকে।

নোভারটিসের এ ওষুধের নাম ডায়োভান, কো-ডায়োভান, এক্সফোর্জ, এনট্রেসটো। ইনসেপ্টার ভালসারটিল, ভালসারটিল প্লাস, অ্যামলোসারটান, হেলথ কেয়ারের ডায়োসিস, কো ডায়োসিস, ডায়োসিস প্লাস, এরিস্টোফার্মার অ্যারোভান, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের কার্ডিভাল-এভি, পপুলারের অ্যামলোভান-ভিএস, স্কয়ারের ক্যামোভাল, রেনেটার ভালজাইড, ওরিয়নের ভালসেট এবং জেনারেল ফার্মার আরনিজেন।

সর্বাধিক পঠিত খবর

পিসিওএস ও বন্ধ্যাত্ব

মানসিক চাপ দূর হবে এক টুকরো বরফে!


রক্তচোষা জোঁকের লালায় ক্যানসার মুক্তি!




এবার ওষুধ ছাড়াই দূর হবে মাইগ্রেন !


মনের রোগে দেশের দুই কোটি মানুষ: জরিপ