সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

English Version

ওষুধ রপ্তানিতে বাংলাদেশের সাফল্য

No icon ফার্মাসিউটিক্যালস

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ১৫ অক্টোবর’১৮:  প্রয়োজনীয় ওষুধের ৯৮ শতাংশই তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য সহ ১৪০টি দেশে ওষুধ রপ্তানিও হচ্ছে। গত অর্থ বছরে ১০ কোটি ৩৪ লাখ মার্কিন ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে। দেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৮৬৮ কোটি টাকা।

সম্প্রতি রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইন খুব কড়া। বাংলাদেশের ওষুধের মান উন্নত বলেই যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে ওষুধ রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে। প্রথম বাংলাদেশি কোম্পানি হিসেবে কানাডায় ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল।

চোখের এলার্জির ওষুধ ও লোপা টাডিন রপ্তানি শুরুর মাধ্যমে কানাডার বাজারে প্রবেশ করেছে বেক্সিমকো। এ ছাড়া আরো বেশ কয়েকটি ওষুধ কানাডায় রপ্তানির জন্য বেক্সিমকোর আর এন্ডবি পাইপ লাইনে রয়েছে। বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি প্রতি বছরই বাড়ছে এবং আশা করা হচ্ছে আগামীতে এটি রপ্তানির অন্যতম প্রধান খাত হয়ে উঠবে। ওষুধ রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ১৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। রপ্তানি বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে ওষুধ শিল্প খুলে দিতে পারে সম্ভাবনার দ্বার।

ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনকারী কোম্পানিকে ২০৩২ সাল পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে শুল্ক মওকুফের সুবিধা। স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে ওষুধ উৎপাদনের জন্য ডব্লিউটিও থেকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত মেধাস্বত্ব (পেটেন্ট) আইন মানার বাধ্যবাধকতা থেকে ছাড় পেয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নেতৃস্থানীয় ওষুধ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উত্থানের যে সুযোগ রয়েছে তাকে কাজে লাগাতে হবে। দেশে কাঁচামাল তৈরি হলে তা বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হবে। ওষুধ উৎপাদনের খরচও হ্রাস পাবে। ওষুধ শিল্পের পরিসর বৃদ্ধি পেলে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে রাখবে ইতিবাচক প্রভাব।

সর্বাধিক পঠিত খবর

কিডনি ইনফেকশন প্রতিরোধের উপায়

বুদ্ধিমান সন্তান চেনার উপায়?

মেদ কমান, সুস্থ থাকুন


থাইরয়েডের সমস্যায় যে খাবার খাবেন




চুলের বৃদ্ধি বাড়ায় আদা ও রসুন

শীতে শ্বাসকষ্ট এড়াতে যা যা করবেন