শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২০

English Version

জিনোমিক গবেষণায় যুক্ত হচ্ছে এশীয় জিন

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৬৪দিন
:
১১ঘণ্টা
:
৩৯মিনিট
:
৫৬সেকেন্ড
No icon ফার্মাসিউটিক্যালস

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ১০ ডিসেম্বর’১৯: সাধারণত মানুষের জিন-তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হয় কঠিন সব রোগের ওষুধ; কিন্তু এই জিন-তথ্যে এতদিন উপেক্ষিত ছিল এশিয়ার মানুষের জিন। অর্থাত্ এশীয় অঞ্চলের মানুষের জিন-বৈশিষ্ট্য ছাড়াই তৈরি হতো এসব ওষুধ। এতে করে এসব ওষুধের এশিয়া অঞ্চলের মানুষের ওপর কার্যকারিতা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আশার কথা, জিনোমিক গবেষণায় এখন থেকে যুক্ত হবে এশীয় অঞ্চলের মানুষের জিন-বৈশিষ্ট্যও। এশীয় অঞ্চলের সেই জিন-বৈশিষ্ট্য সংবলিত জিন মানচিত্র সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে নেচার জার্নালে।

ভারতের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিক্যাল জিনোমিকসের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক পার্থপ্রতিম মজুমদার জানিয়েছেন, এত বড়ো জিনোমিক গবেষণা এশিয়ায় এই প্রথম। এশীয়দের জিনের পুরো মানচিত্র তৈরি করা সম্ভব নয়; কিন্তু মানচিত্রের অনেকটাই এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। এশিয়ার ২১৯টি জনগোষ্ঠীর ১৭৩৯ জনের জিন পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯৮ জন ভারতীয় (আদিবাসী ও অন্যান্য গোষ্ঠীর)। তিনি জানান, পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে এশীয়দের জিনের গঠন বেশ জটিল। কমপক্ষে ১৪টি সুপ্রাচীন জনগোষ্ঠীর ডিএনএ মিলেছে এখানে। অন্তত ২ লাখ নতুন ডিএনএর খোঁজ মিলেছে এশীয়দের শরীরে। ২৩ শতাংশ খারাপ প্রোটিন মিলেছে। রোগভোগের জন্য অন্যতম দায়ী এই খারাপ প্রোটিন।

বিজ্ঞানী দলের দাবি, ডায়াবেটিস থেকে থ্যালাসেমিয়া, স্তন ক্যানসারের মতো অসুখে ভবিষ্যতে সাহায্য করবে তাদের গবেষণা। তথ্যের অভাবে কঠিন অসুখে ভারতসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে চিকিত্সা বহু সময়ে সীমিত হয়ে যায়। কারণ এশিয়ার বাইরের মানুষের জিনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে তৈরি হয় ওষুধ। তা ছাড়া, তথ্য না থাকায় এশিয়ায় মানব সভ্যতার বিবর্তন, জীব-প্রযুক্তিসহ একাধিক গবেষণায় এতদিন বাধার মুখে পড়তে হতো বিজ্ঞানীদের।

তিনি জানান, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া মানুষের জিন-বৈচিত্র্যের যাবতীয় তথ্য বিজ্ঞানীদের কাছে মজুত থাকলেও তাতে এশীয়দের তথ্য ছিল ১০ শতাংশেরও কম। অথচ গোটা পৃথিবীর জনসংখ্যার অর্ধেকের বাস এশিয়ায়। তথ্যের এই অভাব মেটাতে ২০১৬ সালে তৈরি করা হয় ‘জিনোম এশিয়া ১০০কে কনসর্টিয়াম’। অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘লেটস ম্যাপ দ্য গ্যাপ ইন জিনোমিক ডেটা’। এশীয় অঞ্চলের মানুষের জিনগত তথ্য পাওয়া গেলে আরো কার্যকরী ওষুধ তৈরি করা যাবে; যা চিকিত্সা ব্যবস্থায় হয়তো আমূল পরিবর্তন এনে দেবে।

সর্বাধিক পঠিত খবর





দেশে চিকিৎসা গবেষণা বাড়াতে হবে

ডিমেনসিয়া রোগীর আহার

জ্বর ঠোসা সারানোর সহজ উপায়


ময়মনসিংহে প্যাথেডিন ইনজেকশনসহ আটক ২