শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮

English Version

ওষুধের অভাবে বিসিসিতে এক বছর মশা নিধন বন্ধ

No icon ফার্মাসিউটিক্যালস

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ২২ এপ্রিল ২০১৮: বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) ওষুধ না থাকায় গত এক বছর ধরে মশক নিধন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এমনকি ২০১৭-১৮ বছরে ওষুধ কেনার জন্য দরপত্রও আহ্বান করা হয়নি। ফলে মশার উৎপাতে নগরজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেও পরিত্রাণে বিসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ কোনো উদ্যোগ নিতে পারছে না। এমন অবস্থায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়া ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নগরীর কাউনিয়ার বাসিন্দা ও সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু বলেন, নগরীতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিয়মিত না হওয়ায় অলিগলি, ড্রেনে মশা ছড়িয়ে পড়েছে। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ তারা। তিনি একাধিকবার সিটি করপোরেশনে যোগাযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি। নগরীর নিউ সার্কুলার রোডের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক সাদিয়া আফরিন বলেন, মশার অসহনীয় উৎপাতে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন তিনি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা দীপক লাল মৃধা বলেন, তারা দুই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করেন। এর মধ্যে লার্ভি ডিসাইড মশা ধ্বংস করে, আর অ্যাডাট ডিসাইট মশার ডিম নষ্ট করে। এক বছর ধরে এ দুটির কোনো ওষুধই নেই।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, মশা নিধনের জন্য একটি ওয়ার্ডে প্রতিদিন পাঁচ লিটার ওষুধ প্রয়োজন। সে অনুযায়ী নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে দৈনিক ১৫০ লিটার ওষুধ ছিটাতে হয়।

বিসিসির পরিচ্ছন্নতা শাখার পরিদর্শক ইউসুফ হোসেন বলেন, ওষুধের অভাবে বেশ কয়েক মাস মশক নিধন কার্যক্রম বন্ধ আছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ওষুধ কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান হয়নি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ঠিকাদাররা সময়মতো বিল না পাওয়ায় গত অর্থবছরে দরপত্রে কেউ অংশ নেননি।

এ ব্যাপারে বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, কর্মচারীদের আন্দোলনে গত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নগর ভবন এক মাসেরও বেশি সময় অচল ছিল। এ কারণে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। অল্প পরিমাণ ওষুধ তাদের হাতে রয়েছে। আরও ওষুধ যোগ করে খুব শিগগিরই কার্যক্রম শুরু করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত খবর

মানসিক চাপ দূর হবে এক টুকরো বরফে!


রক্তচোষা জোঁকের লালায় ক্যানসার মুক্তি!




মনের রোগে দেশের দুই কোটি মানুষ: জরিপ

এবার ওষুধ ছাড়াই দূর হবে মাইগ্রেন !