শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

English Version

সায়েবা'স মেথড: কনডম বাঁচায় মায়ের জীবন ( ভিডিও সহ )

No icon স্পট লাইট

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ২২ জুন’১৮: মাতৃমৃত্যুর প্রধান কারণ প্রসব পরবর্তী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ। এই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে পারে বাংলাদেশি চিকিৎসা-বিজ্ঞানী অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতারের ‘সায়েবাস মেথড’। ২০০৩ সাল থেকে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, তুরস্কসহ অনেক দেশে ‘সায়েবাস মেথড’ ব্যবহৃত হলেও বাংলাদেশে এর ব্যবহার ব্যাপকভাবে চালু হয়নি।

‘সায়েবাস মেথড’ উদ্ভাবনের বিষয়ে ডা. সায়েবার বলেন, ‘সময়টা ছিল ২০০১ সাল। তিনি তখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের গাইনি এন্ড অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক। ১৮ বছরের একটি মেয়ে প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণে মারা যান। অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার সময়টুকু আমরা পাইনি। বিষয়টি আমাকে খুব ভাবায়। সে রাতে আমি ঘুমাতে পারিনি।’

ডা. সায়েবা বলেন, ‘রক্তপাত বন্ধের প্রধান উপায় হলো চাপ দেওয়া। তখন মনে হলো, কনডম (বেলুন) এমন একটা জিনিস, যা ফোলানো যায়। ভাবলাম এই বেলুনটাকে যদি জরায়ুতে প্রবেশ করাতে পারি, তাহলে সেটা ফোলাতে পারলে হয়তো কোনো কাজে আসবে। পরের দিন হাসপাতালে এসে পরীক্ষা করে দেখলাম, বেলুনটিতে এক লিটারের বেশি স্যালাইন রাখা যাচ্ছে। সেদিন হাসপাতালে একটা নারীর মৃত বাচ্চা হলো। কিন্তু রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছিল না। মেয়েটিকে বাঁচাতে জরায়ু ফেলে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। আমি তখন একটা কনডম ক্যাথেটারের মাধ্যমে জরায়ুতে প্রবেশ করিয়ে স্যালাইনের মাধ্যমে ফোলাতেই রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়ে গেলো।’

২০০১ সাল থেকে ২০০২ সালের মধ্যে অধ্যাপক ডা. সায়েবার নেতৃত্বে ২৩ জন রোগীকে এই চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাদের প্রত্যেকেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। এরপর ২০০৩ সালে একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে এ বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর আমার এই পদ্ধতি খুবই সমাদৃত হয়। এই পদ্ধতির খরচ কম। এক’শ টাকারও কম খরচ হয়। ডা. সায়েবা বলেন, সরকার চাইলে তিনি বিনা পারিশ্রমিকে ‘সায়েবাস মেথড’সহ প্রসবের সঠিক পদ্ধতির বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে প্রস্তুত।

সর্বাধিক পঠিত খবর

পিসিওএস ও বন্ধ্যাত্ব

দরকার শুধু একটা চামচ! বোঝা যাবে কিডনি ...

জেনে নিন জরায়ু ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ


অসুস্থ কিডনির লক্ষণ



একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম দিলেন গৃহবধূ!

আকন্দের যত ঔষুধী গুণ

রাতে কলা খাওয়া কি ঠিক?