রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

English Version

১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির কলঙ্কময় দিন

No icon স্পট লাইট

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ১৫ আগস্ট: শোকাবহ ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস আজ। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী।

১৯৭৫-এর এই কালো দিনটিতেই জাতি হারিয়েছে তার গর্ব, আবহমান বাংলা ও বাঙালির আরাধ্য পুরুষ, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুদের প্ররোচনায় মানবতার দুশমন, ঘৃণ্য ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে। কিছু বিশ্বাসঘাতক রাজনীতিকের চক্রান্ত এবং সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী সদস্যের নির্মম বুলেটের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন প্রাণ হারান তার আরো ১৬ জন পরমাত্মীয়কে। যে কারণে আজ কলঙ্কের কালিমায় কলুষিত বিভীষিকাময় ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর দিন।

দেশে না থাকায় ঘাতকদের হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এবং কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা। সে সময় স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে জার্মানিতে সন্তানসহ অবস্থান করছিলেন শেখ হাসিনা। শেখ রেহানাও ছিলেন বড় বোনের সঙ্গে।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাবিধূর দিন। ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের বিচারের মাধ্যমে দেশ আজ কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। পলাতক হত্যাকারীদের বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর হবে— জাতীয় শোক দিবসে এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা। ঘাতকচক্র জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তাঁর নীতি ও আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে বলেন, জাতির পিতার দূরদর্শী, সাহসী এবং ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ছিনিয়ে এনেছিল স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য। বাঙালি পেয়েছে স্বাধীন রাষ্ট্র, নিজস্ব পতাকা ও জাতীয় সংগীত। সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যখন সমগ্র জাতিকে নিয়ে সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত, তখনই স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী চক্র তাঁকে হত্যা করে।

আজ সরকারি ছুটির দিন। সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে আজ।

দিনের শুরুতে সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দেশ ও জাতির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উল্লেখ্য, ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর জীবনের বেশির ভাগ সময়ই কারাগারে কাটিয়েছেন। জীবনের সকল ক্ষেত্রে তাঁর আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত পাওয়া যাবে। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট সরকারের নির্বাচন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ৬৮ এর সরকার বিরোধী আন্দোলন, ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচন, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এসবই ছাপিয়ে যায় তাঁর নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ঘটনা।

 

সর্বাধিক পঠিত খবর

পিসিওএস ও বন্ধ্যাত্ব

দরকার শুধু একটা চামচ! বোঝা যাবে কিডনি ...

জেনে নিন জরায়ু ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ


অসুস্থ কিডনির লক্ষণ



একসঙ্গে ৪ সন্তানের জন্ম দিলেন গৃহবধূ!

আকন্দের যত ঔষুধী গুণ

রাতে কলা খাওয়া কি ঠিক?