রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯

English Version

যে হাসপাতালের ছাদে হয় লাশের ময়নাতদন্ত

No icon স্পট লাইট

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ১২ জুন’ ১৯: স্থায়ী কোনও মর্গ না থাকায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ছাদেই সম্পন্ন হয় লাশের ময়নাতদন্ত। এমনকি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালে লাশ রাখার ব্যবস্থাও নেই।

সরজমিনে দেখা যায়, ময়নাতদন্তের জন্য আনা অপঘাতে নিহতের লাশ রাখা হয় হাসপাতালের তিন নম্বর ওয়ার্ডের পাশে। ফলে লাশের দুর্গন্ধে রোগীদের টিকে থাকাই দুর্বিষহ হয়ে পড়ে।

হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর জেলা কারাগার সড়কের পাশের একটি কাঁচা ঘরে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হতো। সেই মর্গটি প্রায় ১০ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এই অবস্থায় হাসপাতালের ছাদের ওপর ত্রিপল দিয়ে ঘিরে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে করা হচ্ছে লাশের ময়নাতদন্ত।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে এখানে ২১৭টি লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য প্রতি মাসে গড়ে ২০-২৫টি লাশ আসে। হাসপাতালের নিজস্ব কোনও ডোম নেই। নোয়াখালী আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের দুইজন ডোম এসে মরদেহ কাটার কাজ করেন এখানে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম এ অব্যবস্থাপনার কথা স্বীকার করে জানান, পুরনো লাশকাটা ঘরটি ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় অস্থায়ীভাবে ছাদের ওপরে লাশের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে হাসপাতালের পেছনে নতুন করে মর্গ নির্মাণের জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে এর নির্মাণের কাজটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে নোয়াখালী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুল হাসান জানান, জেনারেল হাসপাতালের লাশকাটা ঘর নির্মাণের জন্য ৪৮ লাখ টাকার টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। অনুমোদনের জন্য এটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে কার্যাদেশ দেওয়া হবে।

সর্বাধিক পঠিত খবর







হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ



৭ ঘণ্টার কম ঘুম আর নয়!