রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯

English Version

১৩ জুন’ ৭১: বাংলা বাহিনীর অপূর্ব সাফল্য

No icon স্পট লাইট

ডেস্ক রিপোর্ট: ১৩ জুন ’১৯: ১৯৭১ সালের ১৩ জুন দিনটি ছিল রবিবার। এদিন পাকিস্তানে বিদেশী সহায়তা থামাতে ব্রিটেনে বাংলাদেশের সমর্থকদের একটি বড় বিক্ষোভ মিছিল হাইড পার্ক থেকে শুরু করে দাতা দেশগুলোর দূতাবাস প্রদক্ষিণ করেন। মিছিলটি পার্ক লেন, পিকাডিলি, ডাউনিং স্ট্রিট এবং ট্রাফাল্গার স্কয়ারে সর্বসাধারণের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। ছয় প্রিভি কাউন্সিলর লেবার পার্টির চেয়ারম্যানসহ তিন শতাধিক শ্রমিক এমপি, ইয়ান মিকারডো এবং লেবার পার্টির জাতীয় নির্বাহী, অন্য তিন সদস্য প্র্যাঙ্ক এলাউন, টম ড্রিবারগ, টম ব্র্যাডলে, জন স্টোন হাউস, প্রাক্তন পোস্ট ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী দ্বারা স্পন্সরকৃত স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন।

তারা জাতিসংঘের গণহত্যা কনভেনশন ভাঙার জন্য পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ও সামরিক নেতাদের আসামি করে বিচারের দাবি করেন। সংসদ বিশ্বাস করে বিপুল পরিমাণ সাধারণ মানুষের হত্যা এবং পূর্ব বাংলায় পাকিস্তানী আর্মিদের এই নিষ্ঠুরতা জাতিসংঘ গণহত্যা কনভেনশনের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় আরেকটি প্রস্তাবনায় সকল দলের প্রায় ২৫০ সদস্য যেখানে পাকিস্তান সরকারের নিন্দা করা হয় এবং আশা করা হয় ‘যতদিন পূর্ব পাকিস্তানে যথাযথ রাজনৈতিক অবকাঠামো তৈরি না হচ্ছে, পাকিস্তানের প্রতি অর্থনৈতিক সাহায্য বন্ধ থাকবে। সরকার আসন্ন সভায় পাকিস্তানী সাহায্য তহবিলের বিষয়ে এমনভাবে প্রস্তাব করুক যেন প্রদত্ত সাহায্য শরণার্থী চাহিদা পূরণে সহায়ক হয়।

এইদিন মৌলভীবাজারে মুক্তিবাহিনী শেরপুরের কাছে পাকবাহিনীর অবস্থানের ওপর আক্রমণ চালায়। মুক্তিযোদ্ধাদের এ অভিযানে ৫০ জন পাকসেনা নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র দখল করে। টাঙ্গাইলে কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা বাসাইল থানা আক্রমণ করে। এ সংঘর্ষে একজন দালাল ও একজন দারোগা নিহত হয়। এতে প্রচুর গোলাবারুদ ও অস্ত্রশস্ত্রসহ বাসাইল থানা মুক্তিযোদ্ধারা দখল করে। কুমিল্লার মুক্তিযোদ্ধারা রাজাপুর রেলস্টেশনের পাশে পাঁচড়া গ্রামে পাকসেনাবাহিনীর অবস্থানের ওপর তীব্র আক্রমণ চালায়। এ সংঘর্ষে পাকসেনাদের ১১ জন নিহত ও ১২ জন আহত হয়।

সর্বাধিক পঠিত খবর







হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ



৭ ঘণ্টার কম ঘুম আর নয়!