শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯

English Version

২৪ জুন, ১৯৭১: পাকবাহিনীর বিবিবাজার অবস্থানের ভিতরে মুক্তিযোদ্ধারা অতর্কিত আক্রমণ চালায়।

No icon স্পট লাইট

ডেস্ক রিপোর্ট: ২৪ জুন ’১৯: লে. মাহবুবের নেতৃত্ত্বাধীন দুই প্লাটুন যোদ্ধা কুমিল্লার পূর্বে পাকবাহিনীর বিবিবাজার অবস্থানের ভিতর অনুপ্রবেশ করে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। এ আক্রমণে পাক সেনাদের ২১ জন নিহত ও ৭ জন আহত হয়।

মুক্তিবাহিনীর তিন প্লাটুন যোদ্ধা কুয়াপাইনা ও খৈনল এলাকা থেকে কসবার উত্তরে পাকবাহিনীর লাটুমুড়া অবস্থানের বামে ও দক্ষিণে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। মুক্তিযোদ্ধাদের এ অভিযানে পাকসেনাদের ৯ জন নিহত হয়। অপরদিকে একজন মুক্তিযোদ্ধা আহত হয়।

জলপাইগুড়ির ‘মুরতি’ ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ শেষে ৬নং সেক্টরে রংপুর দিনাজপুরের থুকরাবাড়ি চাউলহাটি, সোনারহাট ও হেমকুমারী ইউনিট বেসে ৪টি দল ক্যাম্প স্থাপন করে। প্রত্যেক দলের সদস্য সংখ্যা ৯০ জন। এখান থেকে শুরু করে তারা পরবর্তী গেরিলা যুদ্ধ যুদ্ধাভিযান।

মেক্সিকোর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফের্টি জিল, বিশ্ব শান্তি ও মানবাধিকার পরিষদের মহাসচিব ড. রিচার্ডো মলিনা মার্টি পৃথক বিবৃতিতে বাংলাদেশে পাকবাহিনীর গণহত্যা বন্ধের উদ্দেশ্যে পাকিস্তান সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের জন্য বিশ্বশক্তির প্রতি আহ্বান জানান।

সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিন ও ইরানের শাহানশাহ রেজা শাহ পাহলভী বাংলাদেশ প্রসঙ্গে নিজ নিজ সরকারের অভিমত ব্যক্ত করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে বার্তা পাঠান।

দামেস্কে (সিরিয়া) অনুষ্ঠিত আফ্রো-এশীয় গণসংহতি পরিষদের দশম নির্বাহী কমিটির বৈঠকে বাংলাদেশের জনগণের মুক্তি সংগ্রামের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়।

সর্বাধিক পঠিত খবর





শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে - আমলকি



মিলল প্লাস্টিক বধের ‘অস্ত্র’!

ম্যাজিকের মতো অসুখ সারবে নিমপাতায়