বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

English Version

১১ জুলাই’৭১: মুক্তিযোদ্ধাদের নানা সমস্যা, সমন্বিত ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা

No icon স্পট লাইট

ডেস্ক রিপোর্ট: ১১ জুলাই ’১৯: কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডের অফিস ভবনে মুক্তিবাহিনীর সেক্টর কমান্ডারদের প্রথম সম্মেলন (১১-১৭ জুলাই) শুরু হয়। সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ। অধিবেশনে মুক্তিযোদ্ধাদের নানা ধরনের সমস্যা ও সমন্বিত ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

সকাল ১১ টায় মুক্তিবাহিনীর এ্যামবুশ দল পাকবাহিনীর একটি কোম্পানীকে মিয়াবাজারের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় এ্যামবুশ করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। ৪ ঘন্টাব্যাপী যুদ্ধে পাকবাহিনীর ১০/১৫ জন হতাহত হয়। পরে পাক হানাদাররা যুদ্ধক্ষেত্র পরিত্যাগ করে পিছু হটে।

লেঃ শামসুল আরেফিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা দল পাইকগাছা থানার কপিলমুনির রাজাকার ঘাঁটি আক্রমণ করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হয়। যুদ্ধ শেষে মুক্তিযোদ্ধা দল নিরাপদে বড়দল ঘাঁটিতে ফিরে আসে।

সকাল ৮ টায় পাকবাহিনী ভারী কামান ও মর্টারের সাহায্যে মুক্তিবাহিনীর শালদা নদী অবস্থানের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। সমস্তদিন গোলাগুলির ফলে মুক্তিবাহিনীর অবস্থানের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়। গোলাগুলিতে ৪র্থ বেঙ্গলের হাবিলদার তাজুল মিয়া ও সিপাই আব্দুর রাজ্জাক মারাত্মকভাবে আহত হয়। এছাড়াও ২ জন বেসামরিক লোক নিহত ও ৮ জন বেসামরিক লোক আহত হয়।

সর্বাধিক পঠিত খবর





শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে - আমলকি



মিলল প্লাস্টিক বধের ‘অস্ত্র’!

ম্যাজিকের মতো অসুখ সারবে নিমপাতায়

লিভারকে পরিষ্কার রাখে যে ৩টি খাবার