রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯

English Version

১৫ জুলাই, ১৯৭১: মুক্তিবাহিনীর কমান্ডারগণ সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন।

No icon স্পট লাইট

ডেস্ক রিপোর্ট: ১৫ জুলাই ’১৯: কলকাতা ৮ নম্বর থিয়েটার রোডের অফিস ভবনে মুক্তিবাহিনীর সকল সেক্টর কমান্ডারগণ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। এই অনুষ্ঠানে সেক্টর কমান্ডারগণ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে শপথ গ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ আওয়ামী লীগের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, সামরিক বিজয়ই বাংলাদেশ সমস্যার একমাত্র সমাধান। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় দেশকে শত্রুমুক্ত করা।

আওয়ামী লীগের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের বৈঠকে মুক্তিবাহিনী নৌ ও বিমান শাখা গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে পরিষদের সদস্যরা বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবার শপথ গ্রহণ করেন।

সিলেটের শাহবাজপুর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা পাকসেনাদের অবস্থানের ওপর এক গেরিলা অভিযান চালায়। এ অভিযানে পাকহানাদার বাহিনীর ১৩ জন সৈন্য নিহত হয়।

বল্লার রণাঙ্গনে মুক্তিবাহিনী পাকবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেনসহ ৬০ জন সৈন্যকে চারদিক থেকে ঘিরে সাঁড়াশি আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণে পাকবাহিনীর ৫১ জন সৈন্য নিহত হয়।

পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হামিদুল হক চৌধুরী ও পি.ডি.পি নেতা মাহমুদ আলী জাতিসংঘ মহাসচিব উ’থান্টের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান ডাঃ এ.এম. মালিককে তার বিশেষ সহকারী নিযুক্ত করেন।

কনভেনশন মুসলিম লীগের প্রাদেশিক কমিটির সভাপতি শামসুল হুদা ঢাকা সিটি কমিটি বাতিল করে এ. এইচ. মোহাম্মদ হোসেনকে প্রেসিডেন্ট ও নাসির উদ্দিনকে সেক্রেটারি করে নতুন কমিটি গঠন করেন।

সর্বাধিক পঠিত খবর







৭ ঘণ্টার কম ঘুম আর নয়!

স্ট্রোকের প্রাথমিক তিন লক্ষণ


আঁচিল দূর করবেন যেভাবে