রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯

English Version

১৬ জুলাই, ১৯৭১: রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করছি।

No icon স্পট লাইট

ডেস্ক রিপোর্ট: ১৬ জুলাই ’১৯:  জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের এক সমাবেশে বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে আমাদের স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়েছিল আর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের আরেকটি আম্রকাননে দাঁড়িয়ে আমরা বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করছি।

জয় আমাদের হবেই আপনারা জেনে রাখুন, যেখানে বিশ্বের জনমত আপনাদের পক্ষে সেখানে বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেবেই। আমাদের মহান বন্ধু প্রতিবেশী ভারত বর্ষ আমাদের ৬০/৭০ লাখ শরণার্থীকে কেবল আশ্রয়ই দেয়নি, আমাদের দাবির নায্যতাকে স্বীকার করে নিয়ে আমাদের সাহায্য করার জন্য স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসেছেন। সেজন্য ভারত সরকারের কাছে আমি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

বল্লাতে আটকে পড়া সৈন্যদের উদ্ধারের জন্য পাকবাহিনী ৫টি নৌকায় সৈন্য ও বিপুল অস্ত্রশস্ত্র বোঝাই করে অগ্রসর হলে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা চারান নামক স্থানে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। আকস্মিক আক্রমণে পাকসেনারা দিশেহারা হয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে পাকবাহিনীর তিনটি নৌকা বিধ্বস্ত হয়ে নদীতে ডুবে যায়। ফলে নৌকা তিনটির সকল পাকসৈন্য নিহত হয়।

অপরদিকে, নদীর তীরে হেঁটে আসা পাকসেনারা পালাতে শুরু করলে বল্লায় অবস্থানরত পাকবাহিনী তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা মনে করে প্রচন্ড গুলি বর্ষণ ও মর্টারের শেলিং করে। এতে বহু সংখ্যক পাকসৈন্য নিহত হয়। বল্লার এই ঘটনায় পাকবাহিনীর মোট ৫১ জন সৈন্য নিহত ও বহুসংখ্যক আহত হয়।

মুন্সিগঞ্জ মহকুমা শান্তি কমিটির সদস্য খলিলুদ্দিন শিকদার মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা অভিযানে নিহত হয়।

সর্বাধিক পঠিত খবর







৭ ঘণ্টার কম ঘুম আর নয়!

স্ট্রোকের প্রাথমিক তিন লক্ষণ


আঁচিল দূর করবেন যেভাবে