বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯

English Version

১৫ অক্টোবর, ১৯৭১: মুক্তিবাহিনীর এক প্লাাটুন যোদ্ধা পাকসেনাদের একটি অবস্থানে এ্যামবুশ পাতে।

No icon স্পট লাইট

ডেস্ক রিপোর্ট: ১৫ অক্টোবর’ ১৯: সকাল ৮ টায় মুক্তিবাহিনীর এক প্লাাটুন যোদ্ধা কমিল্লার দক্ষিণে পাকসেনাদের একটি অবস্থানের আধমাইল দূরে বারচর গ্রামে এ্যামবুশ পাতে। এক ঘন্টা অবস্থানের পর পাকসেনাদের একটি দল তাদের ঘাঁটিতে ফেরার পথে এ্যামবুশের আওতায় এলে মুক্তিযোদ্ধারা তীব্র আক্রমণ চালায়। এতে পাকবাহিনীর ১২ জন সৈন্য নিহত ও ৩ জন আহত হয়।

৮নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনী ক্যাপ্টেন মুস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ধোপাখালীতে অবস্থানরত পাকসেনাদের আক্রমণ করে। এই সংঘর্ষে পাকবাহিনীর ৭ জন সৈন্য নিহত হয় ও অনেক আহত হয়। অপরদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিলদার আবদুল গফুর, নায়েক শহীদ আলী শহীদ ও ক্যাপ্টেন মুস্তাফিজুর রহমান আহত হন।

১১ নং সেক্টরে ক্যাপ্টেন জিয়ার নেতৃত্বে ১০০ জন মুক্তিযোদ্ধার একটি দল রাজাকার ক্যাম্প আক্রমণে মোড়লগঞ্জ অভিমুখে যাত্রা করে। বিকেল তিনটায় মোড়লগঞ্জ পৌঁছালে মুক্তিযোদ্ধারা ৫টি ভাগে বিভক্ত হয়ে রাজাকারদের ওপর আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণে রাজাকারদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

৯নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনী ক্যাপ্টেন হুদার নেতৃত্বে ঝিকরগাছার কাছে দোশাতিনাল নামকস্থানে পাকিস্তানি টহলদার দলকে এ্যামবুশ করে। এই এ্যামবুশে পাকবাহিনীর ৩০ জন সৈন্য নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা পাকসেনাদের কাছ থেকে অনেক অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখল করে।

সর্বাধিক পঠিত খবর

গাড়িতে চড়লে বমি ভাব জেনে নিন সমাধান


লিভারকে পরিষ্কার রাখে যে ৩টি খাবার


লিভার পরিষ্কার রাখে ৩টি খাবার




হঠাৎ বিকট শব্দ, ঝরে গেল সাত শিশুর প্রাণ