বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

English Version

১৯ অক্টোবর’৭১: “ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে”

No icon স্পট লাইট

ডেস্ক রিপোর্ট: ১৯ অক্টোবর ১৯: সিলেটে ক্যাপ্টেন হাফিজউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ‘জেড’ ফোর্সে ও ‘বি’ কোম্পানী পাকসেনাদের চম্পারান চা ফ্যাক্টরী ঘাঁটি আক্রমন করে। এই অভিযানে পাকসেনাদের চম্পারান চা ফ্যাক্টরী ঘাঁটি ধ্বংস হয়।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নয়াদিল্লীতে বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভারত যুদ্ধ এড়িয়ে যাবার জন্য সম্ভাব্য সবকিছুই করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মূল সমস্যা বিদ্যমান ইসলামাবাদের সামরিক শাসকবর্গ ও বাংলাদেশের জনগনের মধ্যে- যার পরিণতি ভোগ করছে ভারত।

রাওয়ালপিন্ডিতে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান বলেন, আমরা ভারতের সাথে যুদ্ধ চাই না। তবে ভারত যদি বাঙালি গেরিলাদের পাকিস্তানের অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ ঘটানোর কাজ অব্যাহত রাখে এবং আক্রমন করে তাহলে আমরা তার প্রতিশোধ নেব। আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে ভারতের হস্তক্ষেপ আমরা আর সহ্য করতে রাজি নই।

লে: জেনারেল নিয়াজী পাবনায় রাজাকার ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণরত রাজাকারদের পরিদর্শন করেন। তিনি রাজাকারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মানুষের মৃত্যু অনিবার্য। কিন্তু রাজাকাররা যদি শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করে, তবে তারা নি:সন্দেহে আল্লাহর রহমত পাবে।’

সরকারী ঘোষনায় জানা যায়, পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল এ. রহিম ভারতীয় বিমান বাহিনী প্রধানের কাছে ভারতীয় বিমান হামলার অভিযোগ এনে প্রতিবাদ করেছেন, তিনি হুমকি দেন এরপর আমরাও পাল্টা আক্রমণ করবো।

জামায়াতে ইসলামীর আমীর মওলানা মওদুদী এক বিবৃতিতে পূর্ব পাকিস্তানে দুস্কৃতকারীদের (মুক্তিযোদ্ধা) হাতে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করার জন্যে বিত্তশালীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সর্বাধিক পঠিত খবর

আলসারের লক্ষণগুলো জেনে নিন


চূড়ান্তভাবে নিষিদ্ধ হলো রেনিটিডিন



শিশু দ্রুত লম্বা হবে যেসব খাবারে