শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

English Version

সাপের বিষে সারবে ক্যান্সার, দাবি বিজ্ঞানীদের

No icon স্পট লাইট

স্বাস্থ্য ডেস্ক- ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০: সাপের বিষ নিয়ে সুখবর দিলেন বিজ্ঞানীরা। সাপের বিষে সারবে মরণব্যাধি ক্যান্সার। স্তন ক্যান্সার ও কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তারা বলছেন, এই দুই ধরনের ক্যান্সারের কোষ দ্রুত ধ্বংস করতে সক্ষম সাপের বিষ। তবে এখনই ক্যান্সার চিকিৎসায় সাপের বিষ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এর যথাযথতা যাচাই করতে এখনও সময়ের দরকার আছে আছে জানিয়েছেন গবেষকরা।

ক্যান্সার চিকিৎসায় সাপের বিষ নিয়ে গবেষণা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নর্দান কলোরাডোর (ইউএনসি) একদল জীববিজ্ঞানী। তারা বলছেন, মানবরোগের চিকিৎসায় থেরাপি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে ভেনম (সাপের বিষ), তবে এজন্য আরও গবেষণার দরকার রয়েছে।

স্নেক ভেনমে উচ্চমাত্রায় বিষ রয়েছে। এর একটিমাত্র কামড়ে মুহূর্তের মধ্যে কোনো প্রাণীর মৃত্যু পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, কোনো ধরনের ঝুঁকি ছাড়াই ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে শরীরে সরাসরি সাপের বিষের প্রয়োগ তাদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জের।

তবে প্রতিষেধক তৈরিতে সাপের বিষ নিয়ে গবেষণার কারণও রয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সাপের বিষে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন ও কেমিক্যাল রয়েছে। একটি সাপ থেকে যে পরিমাণ বিষ পাওয়া যায় তাতে কয়েকশ’ উপাদান থাকে। আর পৃথিবীতে যেসব প্রজাতির প্রাণী রয়েছে যাদের শরীরে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন পাওয়া যায়, তার ২৬টিই হলো সরীসৃপ গোত্রীয়।

উচ্চ রক্তচাপে ব্যবহৃত একটি ওষুধের নাম ক্যাপটোপ্রিল। এক ধরনের পেপটাইডের গঠনবিন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ওষুধটি তৈরি করা হয়। গবেষকরা পেপটাইডটি সংগ্রহ করেন সাপের বিষ থেকে। ওষুধটি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে প্রায় ৪০ বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে। আর এ কারণেই মূলত সাপের বিষ থেকে ক্যান্সারের ওষুধ তৈরির জন্য নড়েচড়ে বসেছেন বিজ্ঞানীরা।

ইউনিভার্সিটি অব নর্দান কলোরাডোর একজন গবেষক ড. স্টিফেন ম্যাকেসি। তার গবেষণাগারটিই হবে প্রথম কোনো প্রতিষ্ঠান যেখানে ক্যান্সার চিকিৎসায় সাপের বিষ নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে।

সিবিএস ডেনভারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাকেসি বলেছেন, এখানে একটা জটিল বিষয় হলো এগুলো (সাপের বিষ) বস্তু বা প্রাণীর মৃত্যুর কারণ।আবার স্বাভাবিক বিষয় হলো এগুলো বেঁচে থাকার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়। সাপের বিষের এই বৈশিষ্ট্যই ওষুধ তৈরির পেছনে যৌক্তিক কারণ। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক সাপের বিষ ক্যান্সার সেলকে নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম।

সর্বশেষ খবর

  রিজেন্ট কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের ক্রসফায়ার চান এমপি হারুন


  ১৪ ঠিকাদার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘কালো তালিকা’য়


  করোনাভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে ছড়ানোর ‘প্রমাণও আসছে’, বললো ডব্লিউএইচও


  প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আর নেই


  কোভিড-১৯: বিশেষ সম্মানী হিসেবে দুই মাসের বেতনের সমান অর্থ পাচ্ছেন চিকিৎসাকর্মীরা


  ১৮ ঘণ্টার বিরল অস্ত্রোপচারে বাঁচল যমজ শিশু


  সাতক্ষীরায় পুলিশের উদ্যোগে প্লাজমা ব্যাংকের উদ্বোধন


  দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪১, শনাক্ত ৩৩৬০


  পুলিশকে সুরক্ষা সামগ্রী দিল মার্কিন দূতাবাস


  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ছাড়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করল যুক্তরাষ্ট্র


সর্বাধিক পঠিত খবর