বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯

English Version

হৃদরোগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে, কমবে ঝুকি

No icon হেলথ টিপস

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ২৫ মে’ ১৯: বিশ্বে মানুষের মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ। বলা হয়, বিশ্বে এক তৃতীয়াংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী হার্ট অ্যাটাক। বাংলাদেশেও এই রোগে মৃত্যু আজকাল খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রায়ই হার্ট অ্যাটাকের প্রাথমিক উপসর্গগুলো আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। অথচ চিকিৎসকরা বলছেন, প্রাথমিক উপসর্গগুলো দেখে সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণা বলছে, হৃদরোগের প্রাথমিক উপসর্গ খেয়াল না করলে তার ফলে কেবল মৃত্যু নয়, বেঁচে থাকলেও অনেক জটিলতা নিয়ে বাঁচতে হয়।

প্রাথমিক উপসর্গগুলো কী কী?

# বুকে ব্যথা - চাপ চাপ ব্যথা, বুকের এক পাশে বা পুরো বুক জুড়ে ভারী ব্যথা।

# শরীরের অন্য অংশে ব্যথা। মনে হতে পারে ব্যথা শরীরের এক অংশ থেকে অন্য অংশে চলে যাচ্ছে। যেমন হতে পারে বুক থেকে হাতে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত বাম হাতে ব্যথা হয়। কিন্তু দুই হাতেই ব্যথা হতে পারে।

# মাথা ঘোরা বা ঝিমঝিম করা।

# নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা।

# বমি বমি ভাব হওয়া।

# বুক ধড়ফড় করা বা বিনা কারণে অস্থির লাগা।

# সর্দি বা কাশি হওয়া।

বেশিরভাগ সময় বুকে ব্যথা খুবই তীব্র হয়। ফলে শরীরের অন্য অংশে ব্যথা অনেকে টের পান না।

আবার কারো ক্ষেত্রে হয়ত বুকে ব্যথা অনুভব করেননি, বিশেষ করে নারী, বয়স্ক মানুষ এবং যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা, বুকে ব্যথা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মত ঘটনা সাধারণ হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে হয়।

কেন হয় হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক?

আমাদের হৃদপিণ্ডে যে রক্ত প্রবাহিত হয়, তা হৃদযন্ত্রে আসে ধমনী দিয়ে। সেটি যখন সরু হয়ে যায়, তখন নালীর ভেতরে রক্ত জমাট বেধে যেতে পারে। ফলে নালীর ভেতর দিয়ে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে হৃদযন্ত্রের পেশীগুলো দুর্বল হয়ে যায়, ফলে সে আর অক্সিজেন প্রবাহিত করতে পারে না। হৃদপিণ্ডের ভেতর দিয়ে অক্সিজেন প্রবাহিত না হলেই হার্ট অ্যাটাক হয়।

হার্ট অ্যাটাক হলে কী করণীয়?

হার্ট অ্যাটাক হওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, চিকিৎসা পেতে এক ঘণ্টা দেরির জন্য মৃত্যুর হার বেড়ে যায় ১০ শতাংশ।

# রোগীকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

# হার্ট অ্যাটাকের পরপরই রোগীকে শক্ত জায়গায় হাত-পা ছড়িয়ে শুইয়ে দিন এবং গায়ের জামা-কাপড় ঢিলেঢালা করে দিন।

# হার্ট অ্যাটাকের পর যদি আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায় তাহলে তাকে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চালুর চেষ্টা করুন।

# হার্ট অ্যাটাকের পর রোগীর যদি বমি আসে তাহলে তাকে একদিকে কাত করে দিন। যাতে সে সহজেই বমি করতে পারে। এতে ফুসফুসের মতো অঙ্গে বমি ঢুকে পড়া থেকে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তি রক্ষা পাবেন।

কিভাবে ঠেকানো যাবে হার্ট অ্যাটাক?

# খাবার ও জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে, নিয়মিত হাঁটা-চলা ও ব্যায়াম করতে হবে, সক্রিয় থাকতে হবে।

# ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

# নিজেকে চিন্তামুক্ত রাখতে হবে।

# ধূমপান বন্ধ করতে হবে।

# মাঝে মাঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সর্বশেষ খবর

  স্ট্র বা প্লাস্টিকের পাইপ ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর


  ১৭ জুলাই, ১৯৭১: ৪র্থ বেঙ্গলের ‘এ’ কোম্পানীর একটি প্লাটুন মর্টারসহ পাকসেনাদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়।


  ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুদিনের বেশি পানি জমিয়ে না রাখার আহ্বান


  সাড়ে ৩৬ কোটি টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস


  ফিলিপাইনে ডেঙ্গুতে ৪৫০ জনের মৃত্যু


  'তার্কা’ রেস্টুরেন্টকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা


  মিল্ক ভিটা, আড়ং, প্রাণসহ ১১ ব্র্যান্ডের দুধে মাত্রাতিরিক্ত সিসা


  মাখন ফ্রিজে রাখা উচিত নয়


  সিএমএইচে ৯১ শিশুকে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট বরাদ্দপত্র বিতরণ


  ১৬ জুলাই, ১৯৭১: রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করছি।


সর্বাধিক পঠিত খবর









পিঠের মেদ দ্রুত কমানোর তিন উপায়