রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

English Version

পিসিওএস ও বন্ধ্যাত্ব

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৬৪দিন
:
১১ঘণ্টা
:
৩৯মিনিট
:
৫৬সেকেন্ড
No icon লেখালেখি

ডা. বিমল কুমার আগরওয়ালা

সন্তান বিবাহিত নর নারীর যেন চিরন্তন চাওয়া। মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ট হয়েই নবজাত শিশু যখন চিৎকার দিয়ে এই সুন্দর পৃথিবীকে জানায় তার শুভাগমন বার্তা তখন প্রতিটি মা-বাবার হৃদয়ে সৃষ্ট অনুভূতি ভাষায় ব্যক্ত করার মতে নয়। এ যেন এক স্বর্গানুভূতি। এ মুহূর্ত যেন সৃষ্টিকর্তার অসীম কৃপায় প্রাপ্ত- যার সাথে জীবনের অন্য কোনো মুহূর্তেরই তুলনা নেই। এ আনন্দ যেন প্রতিটি মানুষের জন্মগত অধিকার। অথচ ধরণীর এই বুকে মা- বাবা হবার সৌভাগ্য সকলের হয় না।

প্রশ্ন হলো- বন্ধ্যাত্ব অর্থাৎ ইনফার্টিলিটির কারণ কী? হ্যাঁ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, শতকরা ৩৭ ভাগ ক্ষেত্রে নর এবং শতকরা ৩৫ ভাগ ক্ষেত্রে নর ও নারী উভয়ের সমস্যার কারণে গর্ভধারণ হয়না।

আবার, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, নর- নারীর কারোরই কোন সমস্যা নেই, অথচ যথাযথ সময়ে সন্তান গর্ভে আসে না। এটি হলো ইডিওপেথিক অর্থাৎ কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে ডাক্তার যেন অসহায়। সন্তান লাভের আশায় চিকিৎসা চালিয়ে যান অনেকে। শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক ব্যয়ের যন্ত্রণাও সইতে হয় ব্যাপকভাবে।

কিন্তু ঈশ্বর কী আর তাঁর সৃষ্ট জীবকে নিরাশ করতে পারেন? তিনি যে দয়ার মহাসাগর! তিনি যে শান্তির মহাসাগর! পরমাত্নার করুণায় বহু বছর পরে হলেও একদিন ঐ নারীর শুভ দিনের আগমন ঘটে। পরিবারে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দ বার্তা। নয় মাস দশ দিন পর ভূমিষ্ট হয় সন্তান। পুষ্পের সৌরভে যেমন মনের বিষণ্নতা দূরীভূত হয়ে মনে আসে প্রফুল্লতা, আর পরিবেশেও হয়ে ওঠে পবিত্র ও নির্মল, তেমনি মায়ের কোলে শিশুর ঐশ্বরিক হাসি দেখে মোহিত হয়ে যায় সকলের হৃদয়। এইতো গেল পরমেশ্বরের অলৌকিকতা। এখন স্বাভাবিকভাবেই জিজ্ঞাসু মন জানতে চায়, তাহলে রোগ হলে বিনা চিকিৎসায় কী গর্ভধারণ সম্ভব? অবশ্যই নয়! আর এখানেই চিকিৎসাবিজ্ঞানের অবদান।

এবারে চলুন, আগে জেনে নেওয়া যাক, নারী-পুরুষের কোন কোন সমস্যায় সাধারণত বন্ধ্যাত্ব হওয়ার ঝুঁকি থাকে?

পুরুষের সমস্যা

বীর্যে শুক্রাণু না থাকা যাকে বলে ‘এজোস্পারমিয়া’

 বীর্যে শুক্রাণুর গুণগত ও সংখ্যাত্নক গোলযোগ

মাসিকের ডেঞ্জার পিরিওড অর্থাৎ এগারতম দিন থেকে পনেরতম দিনে সঠিকভাবে রতিক্রিয়া সম্পন্ন না করা

নারীর সমস্যা

ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বানুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি কিংবা নিঃসরণ না হলে

ফেলোপিয়ান টিউব অর্থাৎ ডিম্বাশয় ও জরায়ুর মধ্যে বিদ্যমান সংযোগনালী বন্ধ থাকলে

তলপেটে সংক্রমণ কিংবা অপারেশনজনিত জটিলতা থাকলে

হরমোন সমস্যা, যেমন পিসিওএস হলে

রক্তে ভ্রুণের জন্য ক্ষতিকারক পদার্থ বিদ্যমান থাকলে

স্থুলতা

ধূমপান ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য সেবন ইত্যাদি।

উপরে উল্লেখিত বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে পিসিওএস নামক রোগটি বন্ধ্যাত্বেও জন্য অধিক দায়ী।

পিসিওএস কি?

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমকে সংক্ষেপে পিসিওএস বলা হয়ে থাকে। এটি মূলত একধরনের হরমোনজনিত রোগ, যা সাধারণত বয়ঃসন্ধি ও প্রজননক্ষম (১৫ থেকে ৪৫ বছর)।

১. বয়সের মহিলাদের হয়ে থাকে। হরমোন ভারসাম্যহীনতার মধ্যে দেখা যায়, এই রোগে আক্রান্ত নারীর রক্তে এন্ড্রোজেন নামক এক ধরনের পুরুষ হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। ইনসুনিলন রেজিস্ট্যান্সও বিদ্যমান থাকে।

দেখা যায়, পিসিওএস রোগটি জেনেটিক বিষয়ের সাথেও জড়িত অর্থ্যাৎ এই রোগ জিনগত কারণে হতে পারে। কারণ, কোনো পরিবারে মা, বোন, মাসী, দিদিমার পিসিওএস থাকলে ওই পরিবারের মেয়েদের এই সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে মনে রাখুন, পারিবারিক পিসিওএস রোগের ইতিহাস না থাকলেও ওই পরিবারে জন্ম নেওয়া মেয়েদের এই রোগ হতে পারে। এসব মেয়েরা দৈহিক কিছু অসুবিধা যেমন অনিয়মিত মাসিক, শারীরিক ওজন বৃদ্ধি ইত্যাদিকে তেমন গুরুত্ব দেন না। বিবাহের পর সময়মতো গর্ভধারণ না হলে, তখন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায় তার পিসিওএস হয়েছে।

পিসিওএস রোগের উপসর্গ

অনিয়মিত মাসিক, পরিণামে বন্ধ্যাত্ব

দৈহিক ওজন বৃদ্ধি

শরীরে অবাঞ্চিত লোম দেখা দেওয়া, বিশেষ করে ঠোঁটের ওপর, ঘাড়ে, বুকে, পেটে, হাত-পায়ে

ঘাড়ের পেছনে বগল ও উরু কালো হয়ে যাওয়া

মুখে ব্রণ ও ত্বক  তৈলাক্ত হওয়া ইত্যাদি, তবে এসব উপসর্গসমূহ সবসময় থাকবে তা কিন্তু নয়।

পিসিওএস হলে মাসিকের যেসব সমস্যা হয়

পিসিওএস হলে আক্রান্তের মাসিকের বিভিন্ন ধরনের গোলযোগ হতে দেখা যায়। যেমন-

শুরুতে ২-৩ মাস পর পর মাসিক হওয়া

কখনো বছরে ২-৩ বার কিংবা তারও কম মাসিক হওয়া

আবার কারো কারো অতিরিক্ত ব্লিডিং পরিলক্ষিত হওয়া

পিসিওএস এর সাথে বন্ধ্যাতের সম্পর্ক

গর্ভধারণের পূর্বশর্ত হলো- প্রতি মাসে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু পরিপক্ক এবং ডিম্বাস্ফোটন স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হওয়া। কিছু হরমোন যেমন এলএইচ, এফএসএইচ’র প্রভাবে মেয়েদের ডিম্বাশয়ে ডিম্বাণু পরিপক্ক হয়। মাসিক আরম্ভ হওয়ার সাধারণত ১১-১৩ দিনের দিন ওই ডিম্বাণু ডিম্বাশয় হতে বের হয় অর্থাৎ ডিম্বস্ফোটন ঘটে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটিকে বলে ওভুলেশন। এই ওভুলেশনের সময় রতিক্রিয়ার মাধ্যমে ঐ পরিপক্ক ডিম্বাণুর সাথে শুক্রাণুর মিলন হলে গর্ভধারণ হয় অর্থাৎ ভ্রুণ তৈরি হয়। এই ভ্রুণ ক্রমশ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে একজন পূর্ণ শিশুর রূপ নেয়।

কোনো কারণে মাসিক চক্রের সময় ডিম্বাণু পরিপক্ক না হলেই যতো সমস্যা। পিসিওএস হলে এই সমস্যাই দেখা যায় অর্থাৎ আক্রান্তের ডিম্বাশয়ে সঠিকভাবে হরমোন কাজ না করায় যথাসময়ে ওভুলেশন হয় না। ফলে শুক্রাণু ও ডিম্বানুর মিলন না হওয়ায় ভ্রুণও তৈরি হতে পারে না। ফলে গর্ভধারণে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়। পেটের আলট্রাসনোগ্রাফি করলে এই অপরিপক্ক ডিম্বাণুসমূহ ছোট ছোট সিস্ট বা ফোসকার মতো দেখায়। এই কারণে এই রোগকে পলিসিস্টিক (পলি অর্থ অনেক) অর্থাৎ অনেক সিস্টসমৃদ্ধ ওভারি বলে।

পিসিওএস রোগ নিরূপণ

সাধারণত এই রোগের উপসর্গে সাথে দু’ধরণের পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন হয়।

১. তলপেটের আলট্রাসনোগ্রাফি

২. রক্তের হরমোন পরীক্ষা, যেমন এলএইচ, এফএসএইচ এবং টেসটোসটেরন এর মাত্রা নির্ণয়

পিসিওএস রোগের জটিলতা

এই রোগে আক্রান্তের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন-

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া, স্তন ও ডিম্বাশয়ে ক্যান্সার, গর্ভবতী নারীর প্রিঅ্যাকলাম্পসিয়া, এমনকি গর্ভপাত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

পিসিওএস রোগের চিকিৎসা

পিসিওএস হলে তিনভাবে চিকিৎসা করা হয়।

এক. লাইফস্টাইল যথাযথ করা।

দুই. ওষুধের ব্যবহার যেমন- ল্যাপারোসকোপিক ওভারিয়ান ডায়াথারমি নামক ছোট্ট অপারেশন

তিন. যা ওভারিয়ান ড্রিলিং বলে।

এই তিন উপায়ের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো “লাইফস্টাইল যথাযথ করা”। আর লাইফস্টাইল যথাযথ করার অর্থ হচ্ছে নিয়মমতো নিয়মিত হাঁটা সুষম খাদ্য খাওয়া।

যে পরিবারে পিসিওএস রোগের ইতিহাস রয়েছে ওই পরিবারের মেয়েদেও বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার মূলমন্ত্র হচ্ছে নিয়মমতো হাঁটা ও স্বল্প ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়া। পাশাপাশি শৈশবকাল থেকেই সন্তানকে এই বিষয়ে সচেতন ও হাঁটা ও খাবারের নিয়ম পালনে অভ্যন্ত হতে সহায়তা করা। এবং

মনে রাখুন, মেয়েদের এই শিক্ষা প্রদান অপরিহার্য। খাবার ও হাঁটার প্রতি মনোযোগী হলে দেহের ওজন সঠিক থাকে। ফলে গর্ভধারণও সহজ হয়। এ কথাটিও মনে রাখা জরুরি যে, পিসিওএস এর সাথে স্থুলতার সম্পর্ক রয়েছে। আর গর্ভবতী হতে চাইলে দৈহিক বাড়তি মেদ কমাতেই হবে। মেদ কমানোর মুখ্য উপায় হলো জীবনযাত্রার ধরণ যথোপযুক্ত করা। অর্থাৎ, প্রতিদিন সম্ভব না হলে সপ্তাহে পাঁচদিন নরম কেডস কিংবা বাটার কাপড়ের জুতা পায়ে দিয়ে৩০-৪০ মিনিট করে একটু জোরে জোরে হাঁটা এবং এবং প্রাত্যহিক খাদ্য তালিকায় স্বল্প ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করা। যেসব খাবার প্রতিদিন খাওয়া প্রয়োজন সেসব খাবার হলো: আটার রুটি, ভূট্টা, বাদাম, ডাল, দুধ, দই, শাক-সবজি ও বিভিন্ন রকমের মৌসুমি ফল।

হাঁটার সময় নিয়ে কারো কারোর প্রশ্ন থাকতে পারে। অর্থাৎ কর্মব্যস্ততার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দিনের যেকোনো সময় হাঁটা উপকারী। তবে সকাল হচ্ছে হাাঁটার উপযুক্ত সময়। কারণ এই সময় প্রকৃতি নীরব থাকে, হাঁটতে ভালো লাগে, সারাদিনের দৈহিক কার্যকলাপে ক্লান্তি আসে না, মনও থাকে প্রফুল্ল। সর্বোপরি, গাছের বিশুদ্ধ অক্সিজেন অধিক পরিমাণে পাওয়া যায় যা বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশক। উল্লেখ্য, দ্রুত হাঁটা শুরু করার পূর্বে প্রথম ২-৩ সপ্তাহ ধীরে হাঁটার অভ্যাস করা প্রয়োজন। যেমন প্রথম সপ্তাহ ১০- ১৫ মিনিট নিজের সুবিধা অনুযায়ী, তার পরের সপ্তাহ ২০-২৫ মিনিট আরও একটু দ্রুত বেগে। এভাবে সময় ও হাঁটার গতি পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি করতে হয়।

উপসংহার

বিলাসপ্রিয় জীবনযাপন অর্থাৎ উচ্চ ক্যালসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ ও ব্যায়ামের প্রতি অনাগ্রহতার কারণে বন্ধ্যাত্বের প্রকোপ বাড়ছে দিন দিন। বিবাহের পর গর্ভধারণে বিলম্বের জন্য অধিকতর দায়ী ব্যাধি হচ্ছে পিসিওএস। যদিও এই অসুখের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই এবং এটি একেবারে নিরাময় হয় না, তবে বহুক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসার মূলসূত্র “স্বাস্থ্যকর জীবনধারা”। অতএব, শৈশবকাল থেকেই কন্যা সন্তানকে “ব্যায়াম ও খাদ্য” বিষয়ে সচেতন এবং অভ্যস্ত নিয়ম পালনে হতেই হবে। এজন্য বাবা-মা’সহ স্কুল-শিক্ষক ও আত্নীয় স্বজনদের মৌলিক দায়িত্ব হচ্ছে এই বিষয়ে তাদের পূর্ণ সহযোগিতা করা। যথাযথ জীবনধার অনুসরণ করতে পারলে একদিকে দেহের ওজন যথার্থ থাকবে, অপরদিকে হৃদরোগ, কিডনিরোগ ও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন অসুখ প্রতিরোধ করাও সহজ হবে।

দেহের ওজন যথাযথ রাখতে আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা নিম্নরূপ: সকালের  নাস্তা  (প্রাতঃরাশ)

আটার রুটি: ২টা

ঘন ডাল (বুট/মুগ) : ১ কাপ কিংবা (কুসুম বাদে) : ১টা ডিম।

সবজি (পটল, আলু বরবটি, শিম) : ১ - ২ কাপ’

টক দই (বাসায় বানানো) : ১ কাপ (যদি মন চায়)

দুধ চা বা কফি (চিনি বাদে) : ১ কাপ বেলা ১১ টায়

১ গ্লাস জল পান করে নিম্নে বর্ণিত খাবার যত মন চায় খাওয়া যাবে- শশা, খিরা, টমেটো, কাঁচা আম, কাঁচা পেঁপেঁ, মূলা, কাঁচা পেয়ারা, আমড়া, জাম্বুরা, টক বরই, বাঙ্গী, তাল জামরুল, কালোজাম

রং চা (চিনি বাদে) : ১ কাপ

দুপুরের খাবার:

# ভাত : ২কাপ 

# শাক (লাল, পুঁই, পালং, মূলা) : যত মন চায়

# সবজি (করল্লা, সজনা, ফুলকপি, ঢেড়শ, চালকুমড়া) : রুচিমতো

# ডাল (মসুর, বুট, মুগ, মটর, অড়হর): ১-২কাপ

# মাছ / মাংস : ১-২ টুকরা (যদি খেতে মন চায়)

# সালাদ (লেবু, পেঁয়াজ, শশা, খিরা, টমেটো) : যত মন চায়

টক দই বা মাঠা (বাসায় বানানো) : ১-২  কাপ (যদি মন চায়) মনে রাখুন, দই এ আছে প্রথম শ্রেণির আমিষ ও ভিটামিন বি১২ যা নিরামিষাসীদের জন্য অধিক প্রয়োজন।

বিকালের খাবার

# সবজি কিংবা মুরগির সুপ : ২ কাপ

# সুপ বানাতে যেসব সবজি নিবেন: ফুলকপি, বাধাকপি, পটল, শিম, বরবটি, কাঁচা পেঁপে, গাজর, মটরশুটি

# টক ফল : যত মন চায়

# মিষ্টি যেকোনো ফল :  ১ টা। যেমন ১ টা কলা বা ১টা ছোট আম বা ১ টা কমলা কিংবা ৪-৫ কোয়া কাঁঠাল

# মুুুুড়ি : ১ কাপ কিংবা নোনতা বিস্কুট : ২ টা (যদি মন চায়)

আদা-দারুচিনি-লবঙ্গ-এলাচ চা (চিনি বাদে): ১ কাপ

রাতের খাবার

আটার রুটি ২ টা

সবজি (লাউ, ধুন্দল, ঝিংগা, ফুলকপি, পটল) : যদি মন চায়

 ছোট মাছ : ১ কাপ কিংবা ঘন মিক্সড ডাল : ১- ২ কাপ।

মনে রাখুন, ৩-৪ রকম ডাল মিশিয়ে রান্না করা ডালকে বলে মিক্সড ডাল। এই মিক্সড ডাল হচ্ছে “হাইপ্রোটিন” ডাল যা মাছ-মাংস ডিমের সমতুল্য।

---------------------------------------------------------------------------------

লেখক: ডা. বিমল কুমার আগরওয়ালা

ডায়াবেটিস, স্থুলতা, থাইরয়েড ও হরমোন বিশেষজ্ঞ,

সালাউদ্দিন স্পেশালাইজড হাসপাতাল লি:

৪৪/এ হাটখোলা রোড, টিকাটুলি, ঢাকা।

সর্বাধিক পঠিত খবর





দেশে চিকিৎসা গবেষণা বাড়াতে হবে

ডিমেনসিয়া রোগীর আহার

জ্বর ঠোসা সারানোর সহজ উপায়



ময়মনসিংহে প্যাথেডিন ইনজেকশনসহ আটক ২