শুক্রবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯

English Version

ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ভারত-বাংলাদেশ সম্প্রীতি সম্মেলন-২০১৯

No icon লেখালেখি

নোমান পাটোয়ারী- ০৩ নভেম্বর’১৯: দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মধ্য দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো ভারত-বাংলাদেশ সম্প্রীতি সম্মেলন-২০১৯। দুই দেশ যৌথভাবে রোববার দিনব্যাপী এ সম্প্রীতিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ত্রিপুরার বিধান সভার বিধায়ক ও ভারত-বাংলাদেশ ‘সম্প্রীতি’ সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আশীষ কুমার সাহা সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘যে মানুষটিকে আমরা এ উপমহাদেশে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একজন পথিকৃত হিসেবে পেয়েছিলাম তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।  বঙ্গবন্ধু আজ আমাদের মধ্যে নেই কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি ওনার প্রদর্শিত পথে বাংলাদেশ যেমন পরিচালিত হচ্ছে, এদেশের অতি নিকটের আত্মার আত্মীয় ভারত বর্ষের একটি ছোট রাজ্য ত্রিপুরা তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ও তাঁর জাতীয়তাবাদী আন্দোলকে মর্যাদা দিয়ে জাতীয়তাবোধে আবদ্ধ হওয়ার জন্য সে পথকে অনুসরণ করে চলেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের রাজ্যের মাননীয় মূখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে, আমাদের দু’দেশের প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করেছেন যে, ভারত-বাংলাদেশ চলমান সম্প্রীতিকে আরো শক্তিশালী করতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আশির্বাদ নিয়ে এ সংসদদের উদ্যোগকে কার্যকর করবেন।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভারতের ত্রিপুরা বিধান সভার অধ্যক্ষ শ্রী রেবতি মোহন দাস, বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন ত্রিপুরার কৃষি, পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও ভারত-বাংলাদেশ সম্প্রীতির সম্মানিত উপদেষ্টা সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ প্রমূখ।

সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আমাদের বর্ডার খুলে দেয়ায় আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যেমন ‘মানবতার মা’ বলা হচ্ছে, ১৯৭১ সালে আমাদের শরনার্থীদের ভারতে আশ্রয় দেয়ার ফলে, তৎকালীণ ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকেও মানবতার মা বলা যেতে পারে, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে সেটি করা হয়নি।

এর আগে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

মাননীয় মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির আদান-প্রদান এবং অবাধ যোগাযোগের মধ্য দিয়েই দুই দেশের সম্প্রীতি অটুট রাখতে হবে।

এসময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারি বেশ কিছু মুক্তিযুদ্ধার মাঝে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ক্রেস্ট এবং ভারতের পক্ষ থেকে উত্তোরিয় বিতরণ করা হয়।

 

 

সর্বাধিক পঠিত খবর


আলসারের লক্ষণগুলো জেনে নিন



চূড়ান্তভাবে নিষিদ্ধ হলো রেনিটিডিন




ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল'