বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০

English Version

ঢাকায় ডিজিটাল নির্বাচন ২০২০

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা
৬৪দিন
:
১১ঘণ্টা
:
৩৯মিনিট
:
৫৬সেকেন্ড
No icon লেখালেখি

ডা. অপূর্ব পন্ডিত

২৪ জানু’২০২০: ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ নিয়ে বিতর্কের কোন সুযোগ নেই। ডিজিটাল রাজধানীর ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে এমনটিই সবার প্রত্যাশা। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি বলছে, ত্রুটিমুক্ত নির্বাচন করতেই ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে অনিয়ম ও কারচুপি কমবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইভিএমে হ্যাক করার সুযোগ নেই। প্রচলিত অনিয়ম, কারচুপির সুযোগও কম।

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট প্রয়োগে মেশিন বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি অণুসৃত হয় বলে সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম নামে পরিচিত। এর অন্য নাম ই-ভোটিং।

এতে একটি মেশিনে প্রায় চার হাজারটি পর্যন্ত ভোট দেয়া যায়। সর্বোচ্চ ৬৪ জন প্রার্থীর তালিকা থাকে। বাটন চাপ দিয়ে অক্ষরজ্ঞানহীন ব্যক্তিও ভোট দিতে পারে। একটি ভোট দিতে আনুমানিক ১৪ সেকেন্ড সময় লাগে।

একজন ভোটারের কোনভাবেই একটির বেশি ভোট দেয়ার সুযোগ থাকে না। সাধারণ ব্যালট ভোটের মতো কেন্দ্রেও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে পোলিং এজেন্টরা, নেতাকর্মীরাসহ পর্যবেক্ষকরাতো থাকবেই। মেশিনটিতে একটি পূর্ব-প্রোগ্রামিং করা মাইক্রোচিপ থাকে যা প্রতিটি ভোটের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে হিসেব করে প্রদর্শন করে।

জেনে নিন যেভাবে ইভিএমে ভোট দেবেন -

ভোট কেন্দ্রের নির্ধারিত কক্ষে প্রিজাইডিং অফিসার আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্টকার্ড, আঙুলের ছাপ, ভোটার নাম্বার যাচাই করে ভোটার হিসেবে নিশ্চিত করবেন। এসময় আপনার ছবি ও তথ্যাবলী একটি মনিটরে প্রদর্শিত হবে। যাতে সকল প্রার্থীর এজেন্টরা আপনার পরিচয় দেখতে পারেন।

ভোট প্রদান:

ভোটার হিসেবে সনাক্তকরণের পর গোপন কক্ষে থাকা ইভিএম মেশিনগুলো স্বয়ংক্রিয় ভাবে সচল হবে। যতগুলো পদের জন্য ভোট প্রদান করতে হবে কক্ষের ভেতরে ঠিক ততগুলো ডিজিটাল ব্যালট ইউনিট রাখা থাকবে। এই ইউনিটে প্রার্থীদের প্রতীক বামপাশে এবং নাম ডানপাশে দেখা যাবে।

পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে তার প্রতীকের বামপাশের কালো বাটনে চাপ দিতে হবে। এসময় প্রতীকের পাশে বাতি জ্বলে উঠবে। ভোট নিশ্চিত করতে ডানপাশের সবুজ বাটনে চাপ দিতে হবে। একই প্রক্রিয়ায় অন্যান্য পদের জন্যও ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

কোন কারণে আপনি ভুল প্রতীক সনাক্ত করেন তবে সবুজ বাটন চাপ দেওয়ার আগে তা সংশোধন করতে পারবেন। ভুল সংশোধনের আগে ডানপাশের লাল বাটনে চাপ দিন। এতে ভুল করে দেওয়া পূর্বের ভোটটি বাতিল হয়ে যাবে। ফলে নতুন করে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। সঠিক ভাবে পুনরায় প্রতীকের পাশের বাটনে চাপ দিয়ে তারপর সবুজ বাটনে চাপ দেয়ার মাধ্যমে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

সবুজ বাটন চাপ দেওয়ার পর আপনার ভোট দেওয়া প্রতীক ছাড়া বাকি সকল প্রতীক অদৃশ্য হয়ে যাবে। এতে আপনি নিশ্চিত হবেন যে, ওই প্রতীকে আপনার ভোট প্রদান প্রক্রিয়া সঠিক ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

আগে নির্বাচনগুলোতে হাতে ভোট গণনা করা হতো, সেখানে আধুনিক যুগে ডিজিটাল বাংলাদেশের এই ই-ভোটিং পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ তাই মুজিববর্ষে জাতির জন্য এক অনন্য উপহার।

লেখক: সম্পাদক, আমারহেলথ ডটকম।

সর্বশেষ খবর

  তথ্য লুকাবেন না...প্লিজ! আমি পরীক্ষা করিয়েছি, আপনিও করুন


  দেশে করোনাভাইরাসে নতুন আক্রান্ত ২


  দুধ, ডিম, মাছ ও মাংসের সংকট মোকাবেলায় ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী


  করোনাভাইরাস: দেশে নতুন একজনের মৃত্যু সংক্রমিত আরও ৩


  সবার পিপিইর প্রয়োজন নাই: প্রধানমন্ত্রী


  দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই জন করোনা রোগী শনাক্ত


  বিএসএমএমইউ'তে মেডিসিন, সার্জারি, বক্ষব্যধিসহ বিভিন্ন বিভাগে হেল্প লাইন চালু


  দেশের সব স্টেডিয়াম করোনা রোগীদের জন্য ব্যবহার করা যাবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী


  দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন আক্রান্ত ১, সুস্থ ৪


  সবকিছু উপেক্ষা করে চিকিৎসক সমাজ হিরোর মতো করোনা যুদ্ধ মোকাবেলা করবে: বিএসএমএমইউ উপাচার্য


সর্বাধিক পঠিত খবর





চীনের পাঠানো চিকিৎসা সরঞ্জাম আসছে আজ