রবিবার, ২০ আগস্ট ২০১৭

English Version

বিএমএ নির্বাচন- ২০১৬: প্রতিশ্রুতি জনগণের স্বাস্থ্যসেবা

No icon লেখালেখি

তাপস রায়হান, ০৮ নভেম্বর, ২০১৬: আগামী ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নির্বাচন। ভোটগ্রহণ হবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

এরইমধ্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসক সংগঠন- ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

এবারের নির্বাচনে প্যানেল হয়েছে ৩ টি। একদিকে, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), অন্যদিকে প্রগ্রেসিভ ডক্টরস ইউনিয়ন (পিডিইউ) এবং ডক্টরস ফর হেলথ এন্ড এনভায়রনমেন্ট। এই প্যানেলের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক একাধিক হওয়ায়, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন, অর্থাৎ ২১ নভেম্বরের আগে প্যানেলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম জানা যাচ্ছে না।

এরইমধ্যে সরকার সমর্থিত ‘স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ’-এর সভাপতি হিসাবে চূড়ান্ত হয়েছে- বিএমএ-র একাধিকবারের মহাসচিব ও সাবেক সাংসদ ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন- এর নাম। আর মহাসচিব প্রার্থীর নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

অন্যদিকে, প্রগ্রেসিভ ডক্টরস ইউনিয়ন (পিডিইউ)-এর সভাপতি হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি, অধ্যাপক ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার। সাধারণ সম্পাদক হিসাবে অধ্যাপক ডা. লায়লা আনজুমান বানু এবং  সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- আমারহেলথ ডটকম অনলাইন দৈনিকের সম্পাদক ডা. অপূর্ব পন্ডিত।

যে সকল চিকিৎসকের মহাসচিব পদে মনোনয়নপত্র দাখিলের খবর পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- বর্তমান স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, বিএমএর সার্জারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, বিএমএর সাবেক মহাসচিব ও বর্তমানে বিএসএমএমইউর প্রোভিসি অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, প্রোভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. জাকারিয়া স্বপন, ডা. জামালউদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

এক প্রশ্নের উত্তরে এ বিষয়ে ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন- সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হলে আমি প্রথমেই চিকিৎসকদের যে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে, তা আরও সমৃদ্ধির পথে কাজ করবো। চিকিৎসকদের অনেক সমস্যা। সেই সমস্যা পূরণে যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কথা ভেবে, বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ নেয়া হবে। কীভাবে কমিউনিটি ক্লিনিককে আরও জনগণের কাছাকাছি নেয়া যায়, সেই প্রচেষ্টা থাকবে।

অন্যদিকে, ডা. মোঃ শহীদুল্লাহ সিকদার বলেন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অনেকদূর এগিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল, দেশের সকল মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা। সেই পথে এরইমধ্যে অনেকদূর অগ্রসরও হয়েছে দেশ। আমি মনে করি, কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মসূচিকে আরও আধুনিক করে, সর্বস্তরের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়াই হবে আমার প্রথম কাজ। অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন- আমি বিশ্বাস করি, বিএমএ’র নেতৃত্বে যদি সকল চিকিৎসককে কল্যাণধর্মী কাজে নিয়োগ করা যায়, তাহলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

আগামী ২২ ডিসেম্বরের এ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ সময় ছিল ৬ নভেম্বর। আর ২১ নভেম্বর হচ্ছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময়।

উল্লেখ্য, বিএমএর পূর্ববর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর। নির্বাচনে স্বাচিপ সমর্থিত প্যানেলের সভাপতি ও মহাসচিব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অধ্যাপক ডা. মাহামুদ হাসান ও অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান। অন্যদিকে, ড্যাব সমর্থিত প্যানেলে ছিলেন অধ্যাপক ডা. একেএম আজিজুল হক ও অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। সেই নির্বাচনে স্বাচিপ সমর্থিত প্যানেল জয়ী হয়।

সর্বাধিক পঠিত খবর

মুখে ঘা হওয়ার কারণ ও প্রতিকার


আপনিও এই রোগে ভুগছেন না তো!



হাত এই অবস্থানে রাখুন ... দেখুন

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে যে খাবার


ক্যানসার-হৃদরোগ-অবসাদ! আধঘণ্টায় আরোগ্য!

কীভাবে দূর করবেন সিগারেটের নেশা?